1 Answers

দৃশ্যপট-১-এ রনির বাবা ১৯৭১ সালে ৯ মাসব্যাপী সংঘটিত পাকিস্তানি সেনাদের সাথে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন।

বাংলাদেশ ১৯৭১ সালে যুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা লাভ করে। ভারত- পাকিস্তান স্বাধীন হওয়ার পর থেকেই পূর্ব বাংলার ওপর পশ্চিম পাকিস্তানিরা নানা শোষণ-নিপীড়ন চালানো শুরু করে। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে নিপীড়নের মানসিকতা আরও স্পষ্ট হয়। ১৯৫৪ সালে বাঙালিরা যুক্তফ্রন্ট গঠন করে। যুক্তফ্রন্ট সরকারকে নস্যাৎ করে দিয়ে ১৯৫৮ সালে আইয়ুব খানের কুখ্যাত সামরিক শাসন শুরু হয়। সর্বক্ষেত্রেই পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্য চরম বৈষম্য দেখা দেয়। এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণের জন্য বাঙালি একাধিকবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। তৎকালীন সময়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৬ দফা বাঙালির মুক্তির সনদ হিসেবে আবির্ভূত হলেও তা মানা হয়নি। ফলে ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধের প্রয়োজনীয়তা স্পষ্ট করে দেয়। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে পশ্চিম পাকিস্তান প্রহসন করলে যুদ্ধ অবধারিত হয়ে ওঠে। অতঃপর ৭ মার্চ ঐতিহাসিক এক ভাষণে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা অর্জনে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিতে বলেন। ২৫ মার্চ দিবাগত রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আক্রমণের মধ্য দিয়ে যুদ্ধ শুরু হলে বীর বাঙালি এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। শুরু হয় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক যাত্রা, আর এ মুক্তিযুদ্ধেই রনির বাবা অংশগ্রহণ করেছিলেন।

5 views

Related Questions