1 Answers

কফিল সর্দার যে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন তা হলো ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধ, যা পূর্ব বাংলায় গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছিল।
১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধ পূর্ব-বাংলার জনমনে প্রবলভাবে আইয়ুব বিরোধী চেতনা জাগ্রত করে। কেননা এ যুদ্ধের মাধ্যমে এটা প্রমাণিত হয় যে, পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকরা পূর্ব বাংলার জনগণের নিরাপত্তার ব্যাপারে উদাসীন। বাঙালি সেনারা জীবন বাজি রেখে লাহোর রক্ষা করলেও আইয়ুব খান পূর্ব পাকিস্তানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেননি। ফলে বাঙালিরা নিজেদেরকে পাকিস্তানিদের হাতে অনিরাপদ মনে করতে শুরু করেন। যার গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব পড়ে ছয় দফা কর্মসূচিতে।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে, রুমির দাদা কফিল সর্দার পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে চাকরি করতেন। ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের সময় তিনি নিখোঁজ হন। অর্থাৎ উদ্দীপকে ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধকে নির্দেশ করা হয়েছে। পূর্ব বাংলার জনমনে যার প্রভাব ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

4 views

Related Questions

মনোরম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। সবুজ বনভূমির মাঝে দৃষ্টিনন্দন হ্রদ আর লাল ইটের তৈরি ইমারত ক্যাম্পাসকে আরও নান্দনিক করে তুলেছে। পাশাপাশি এ- ক্যাম্পাস ‘সংস্কৃতির রাজধানী' নামেও পরিচিত। এ ছাড়া প্রতি বছর শীতকাল এলেই বিশ্ববিদ্যালয়ের জলাশয়গুলো অতিথি পাখিতে পূর্ণ হয়ে যায়। তাই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়কে অতিথি পাখির ক্যাম্পাস হিসেবেও অনেকে চেনেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার গৌরবময় ইতিহাসকে ভিত্তি করে নির্মিত কয়েকটি ভাস্কর্য এ-বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্য বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। সবুজের মাঝে কংক্রিট বা ব্রোঞ্জে তৈরি ভাস্কর্যগুলো দাঁড়িয়ে আছে মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা ও ভাষা আন্দোলনের প্রতিচ্ছবি হয়ে । এসব ভাস্কর্য এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস পৌছে দিচ্ছে। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস, ঐতিহ্য ও চেতনাকে স্মরণ রাখতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্মাণ করা হয় ভাস্কর্য ‘সংশপ্তক'। যুদ্ধে জয়লাভ অথবা মৃত্যু – এই শপথে আবদ্ধ থেকে লড়াই করেন। যে অকুতোভয় বীর, তিনিই সংশপ্তক। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে স্থাপিত এই ভাস্কর্যটির মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে যুদ্ধে শত্রুর আঘাতে এক হাত, এক পা হারিয়েও রাইফেল হাতে লড়ে যাওয়া দেশমাতৃকার এক বীরসন্তানকে। ভাস্কর্যটির নির্মাতা শিল্পী হামিদুজ্জামান খান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ব্রোঞ্জের অবয়বে প্রতীকী ব্যঞ্জনায় প্রকাশ করার চেষ্টা করেছেন। আজকের প্রজন্মের কাছে ভাস্কর্যটি যে-কোনো আন্দোলন-সংগ্রামের অনিঃশেষ প্রেরণা। হিসেবে কাজ করে।
1 Answers 6 Views