1 Answers
উদ্দীপকে রিপন সাহেবের বক্তব্যে পাঠ্যবইয়ের আওয়ামী মুসলিম লীগের সাদৃশ্য পাওয়া যায়।
১৯৪৭ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর পূর্ব বাংলার জনগণ পাকিস্তান রাষ্ট্রের রাজনৈতিক চরিত্রগুলো বুঝতে পারে। পূর্ব বাংলার সাধারণ মানুষ সর্বক্ষেত্রে সব অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়। ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকায় রোজগার্ডেনে এক সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত হয় 'পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ'। সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, সাধারণ সম্পাদক টাঙ্গাইলের শামসুল হক এবং যুগ্ম সম্পাদক হন শেখ মুজিবুর রহমান। শুরুতেই দলটি বাঙালিদের স্বার্থে একটি বিস্তৃত কর্মসূচি গ্রহণ করে। এর মধ্যে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন, জনগণের সার্বভৌমত্ব, বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দান, পাট ও চা শিল্প জাতীয়করণ, বিনা ক্ষতিপূরণে জমিদারি ব্যবস্থা উচ্ছেদ, কৃষকদের মধ্যে ভূমি বণ্টন, সমবায়ভিত্তিক চাষাবাদ ইত্যাদি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এসব দাবি উত্থাপনের কারণে দলটি দ্রুত পূর্ব বাংলার জনগণের কাছে প্রিয় হয়ে উঠতে শুরু করে। প্রবির কুমার যে দল গঠন করেছেন তাতে আমরা দেখতে পাই, তাদেরও কর্মসূচি ছিল প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন, জনগণের সার্বভৌমত্ব, পাট, চা শিল্প জাতীয়করণ ইত্যাদি। প্রবির কুমার যে দল গঠনের তথ্য দিয়েছেন তার সাথে আওয়ামী মুসলিম লীগের উল্লিখিত সম্পর্কগুলো লক্ষ করা যায়।