1 Answers

উল্লিখিত প্রেমা চরিত্রে জীবসেবার মধ্য দিয়ে ঈশ্বরসেবার দিকটি ফুটে উঠেছে।

উদ্দীপকের বর্ণনায় আমরা দেখতে পাই যে, প্রেমা বাড়িতে কবুতর পোষে। তাদের যত্নের সাথে দেখাশুনা করে। সে মনে করে এ পৃথিবীর সব জীবই ঈশ্বরের সৃষ্টি। তাছাড়া ঈশ্বর সবসময় সব জীবে আত্মারূপে অবস্থান করেন। তাই জীবের যত্ন বা সেবা করা মানে ঈশ্বরেই সেবা বা যত্ন করা। এ অনুভূতিতে সে তার গৃহের পোশা কবুতরগুলো খুব যত্ন করে। ধর্মগ্রন্থেও আমরা দেখতে পাই, জীব সেবাকেই ঈশ্বর সেবা মনে করে জীবসেবার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে স্বামী বিবেকানন্দ বলেছে-

"বহুরূপে সম্মুখে তোমার, ছাড়ি কোথা খুঁজিছ ঈশ্বর
 জীবে প্রেম করে যেই জন সেইজন সেবিছে ঈশ্বর।

এর তাৎপর্য হচ্ছে, বহুরূপে অর্থাৎ বহু জীবরূপে ঈশ্বর আমাদের সম্মুখেই আছেন। তাই তাঁকে খুজে বেড়ানোর দরকার নেই। যিনি জীবকে ভালোবাসেন, জীবের সেবা করেন তিনি জীবসেবার মাধ্যমে ঈশ্বরেরই সেবা করেন। তাই নিঃসন্দেহে বলা যায় যে, প্রেমার চরিত্রে জীবসেবার মাধ্যমে ঈশ্বর সেবার দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে।

4 views

Related Questions