1 Answers

অর্থদর্শীর সাধন পদ্ধতির বিচারে বীর্যাধিক বোধিসত্ত্বের সাধন পদ্ধতির বৈশিষ্ট্যের সাদৃশ্য পাওয়া যায়। সম্যক বোধিসত্ত্ব সাধনাব্রতের উৎস বিচারে সর্বোত্তম প্রক্রিয়া হলো বীর্যাধিক বোধিসত্ত্ব।

যে বোধিসত্ত্ব লক্ষ্য অর্জনে কর্ম প্রচেষ্টাকেই সর্বাগ্রে স্থান দেন তাকে বীর্যাধিক বোধিসত্ত্ব বলে। এ স্তরের বোধিসত্ত্বগণ বীর্য পারমীর অনুশীলনের মাধ্যমে স্বীয় চিত্তকে নিয়ন্ত্রণে এনে ক্রমে অন্য পারমীর পূর্ণতা সাধন করেন।

'বীর্য' শব্দের অর্থ হলো বীরত্ব, কর্মশক্তি ইত্যাদি। প্রবল উৎসাহ ও সম্যক প্রচেষ্টার মাধ্যমে কঠিন ব্রত সম্পাদন করাই হচ্ছে বীর্য পারমী। সিদ্ধার্থ গৌতম বুদ্ধত্ব লাভের পূর্বে বুদ্ধত্ব লাভের জন্য কঠোর সাধনা করেছিলেন। তিনি কঠিন সংকল্প করে বলেছিলেন, 'আমার শরীর অস্থিমজ্জা শুকিয়ে গেলেও আমি বুদ্ধত্ব লাভ না করে এ আসন থেকে উঠব না।' বুদ্ধত্ব লাভের এ প্রচেষ্টাই বীর্য পারমী।

বীর্যাধিক বোধিসত্ত্বগণ কঠিন সাধনা ব্রতের অনুরাগী হন। তারা কঠোর সাধনায় নিয়োজিত থাকেন। বীর্য পারমীর বলে মহীয়ান হয়ে তারা সাধনায় অটল থাকেন।

4 views

Related Questions