1 Answers
প্রভু জগদ্বন্ধুর সাধন জীবন ছিল বৈচিত্র্যময়।
প্রভু জগদ্বন্ধুর স্কুল জীবনের শিক্ষা আর বেশিদূর অগ্রসর হলো না। তাঁর দেহকে আশ্রয় করে নানা যোগ বিভূতি প্রকাশ হতে লাগল। ধীরে ধীরে পাবনা ও শহরতলিতে তরুণ জগতের এক ভক্ত গোষ্ঠী গড়ে উঠল। ভজন কীর্তনের মধ্য দিয়ে তাদের দিন কাটতে লাগল। ভক্তরা আর জগৎ বলে না, বলে প্রভু জগদ্বন্ধু। এ নামেই তিনি মানুষের হৃদয় জয় করে নিলেন। এর পর একদিন ভক্তদের ছেড়ে তিনি তীর্থ ভ্রমণে বের হলেন। তীর্থে তীর্থে, গ্রামে গ্রামে হরিনাম বিলিয়ে এসে উপস্থিত হলেন শ্রীধাম বৃন্দাবনে। জগদ্বন্ধুর সাধনা ক্রমেই গভীর থেকে গভীরতর পর্যায়ে চলে গেল। কখনো বৃষভানুনন্দিনীর কৃপা ভিক্ষা করে ভূতলে লুটিয়ে পড়ছেন। আবার কখনো গভীর আকুতিতে অশ্রুধারায় বক্ষ ভাসিয়ে রাধাকুন্ডের তীরে তীরে পরিক্রমা করছেন। ভক্তের আর্তিতে ইস্ট দেবতা তুষ্ট হলেন। লাভ করলেন রাধারাণীর কৃপা। একদিন ভারের আবেশে লিখলেন-
"জয় রাধে ধর্ম, জয় রাধে জয়।
জয় রাধে কর্ম, জয় রাধে জয়।”
এরপর রাধা নাম শুনলেই তিনি ভাবে বিভোর হয়ে যেতেন।