1 Answers
উদ্দীপকের মূলভাব 'জীবন-সঙ্গীত' কবিতার সংকল্প সাধন করার অনুপ্রেরণাদানের বিষয়টির সঙ্গে একসূত্রে গাঁথা। মন্তব্যটি যথার্থ।
আমাদের জীবন স্বপ্নের মতো অলীক নয়। তাই মিছে মায়ায় জীবনকে জড়িয়ে আশাহত হওয়া উচিত নয়। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার জন্য আমাদের সবসময় প্রস্তুত থাকতে হয়। না হলে কালের আবর্তে আমাদের মূল্যবান জীবন অতি তুচ্ছভাবে হারিয়ে যায়। এভাবে হারিয়ে যাওয়া জীবনের উদ্দেশ্য নয়। অতি সুখের আশায় দুঃখ না বাড়িয়ে কর্মগুণে জীবনকে সার্থক করে তুলতে হয়।
'জীবন-সঙ্গীত' কবিতায় কবি মানুষকে এ পৃথিবীতে সাহসী যোদ্ধার মতো সংগ্রাম করে বেঁচে থাকতে বলেছেন। মহাজ্ঞানী ও মহান ব্যক্তিদের পথ অনুসরণ করে বরণীয় হতে বলেছেন। আর এজন্য সঠিক সংকল্প করে তা সফল করার জন্য প্রাণপণ চেষ্টা করতে বলেছেন। উদ্দীপকেও এই চেষ্টার দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। এখানে পৃথিবীতে যে জ্ঞানের বিস্ফোরণ ঘটে চলেছে তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার কথা বলা হয়েছে এবং নতুন নতুন জ্ঞান ও তার কর্মকুশলতা আয়ত্ত করতে চেষ্টা চালাতে বলা হয়েছে।
'জীবন-সঙ্গীত' কবিতায় কবি ক্ষণস্থায়ী মানবজীবনের কিছু ব্যর্থতা ও সীমাবদ্ধতার কথা বলেছেন। সেগুলোকে মনে রেখেই জীবনপথে অগ্রসর হতে হবে এবং মানবকল্যাণে আত্মনিয়োগ করতে হবে। তাই জীবনকে বিষাদগ্রস্ত করে হতাশায় মুড়িয়ে রাখলে জীবনের প্রকৃত উদ্দেশ্য সফল হয় না। উদ্দীপকেও জীবনের উদ্দেশ্য সাধনের জন্য অগ্রসর জীবনের জন্য নতুন জ্ঞানের সঙ্গে পরিচয় লাভের কথা বলা হয়েছে। এই দিক থেকে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।