1 Answers
উদ্দীপকের ফিলিমন ও রিমনের জীবনযাপনে সমাজ পরিবর্তনে ফিলিমনের ভূমিকা অধিক বলে আমি মনে করি। এ সম্পর্কে বিশ্লেষণ হলো
* বর্তমান ভোগবাদী জগতের মানুষ শক্তি প্রয়োগ বা ক্ষমতা লাভের জন্য ছুটছে। চারদিকে পাওয়ার অতৃপ্ত বাসনা। ভাইবোন আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী সবার মাঝে ব্যক্তিকেন্দ্রিকতা ও স্বার্থপরতা, কেউ কারও খবর রাখে না বা বিপদে এগিয়ে আসে না। সমাজের এ রকম অবস্থায় ফিলিমনের মতো মানুষেরা সমাজ পরিবর্তনে সবার খোঁজ রাখে ও বিপদ-আপদে পাশে দাঁড়ায়।
* তথ্যপ্রযুক্তির এ যুগে মানুষ এতটাই আত্মকেন্দ্রিক হয়ে গেছে যে বড়দের প্রতি বা গুরুজনদের সম্মান জানানো বা আদবের সাথে চলার মূল্যবোধের অবক্ষয় ঘটেছে চরমভাবে। উদ্দীপকের ফিলিমন তার শিক্ষককে যথার্থভাবে শ্রদ্ধা করে এবং বিদ্যালয়ের বিভিন্ন কাজে শিক্ষককে সহযোগিতা করে।
* ফিলিমনের মাঝে যীশুর শিক্ষার প্রতিফলন লক্ষ করা যায়। যীশু আমাদের তার দেখানো পথে চলতে শিক্ষা দিয়েছেন, এ পথ হলো বিশ্বাস, দরিদ্রতা, ভালোবাসো, ক্ষমা, বন্ধুত্ব, নম্রতা, সেবা, পবিত্রতা ও আত্মত্যাগ। তিনি বলেছেন, স্বর্গরাজ্যের জন্য যে নিজের জীবন হারাবে সে শতগুণ ফিরে পাবে। এ শিক্ষা গ্রহণ করে যথাযথভাবে বাস্তবায়িত করা আমাদের কর্তব্যং ভবেই সমাজে পরিবর্তন আসবে এবং কাজ হয়ে ন্যায্য তা ও হবে।
* আমরা খ্রীষ্টের অনুসারী হিসেবে যীশুর শিক্ষা সম্পর্কে শুধু জানলেই হবে না, তা বাস্তবজীবনে থাকলেও রিমনের মাঝে সমাজ পরিবর্তনে সারা অনুসারী হিসেবে যীশুর শিক্ষা সম্পর্কে শুধু জানলেই এতাবনা ফিলিমনের মাঝে থাকলেও রিমনের মাঝে নেই। তাই বলা যায়, রিমন নয়, সমাজ পরিবর্তনে ফিলিমনের ভূমিকা অধিক।
মূলকথা : সমাজ পরিবর্তন।