1 Answers
জয়া ও তার পিতামাতার মধ্যে সুন্দর বিবেকের সমন্বয় ঘটেছে। পাঠ্যপুস্তকের আলোকে আমার মতামত দেওয়া হলো-
জয়া তার ইচ্ছার কথা বাবা-মায়ের কাছে জানায়। তার বাবা-মাও সচেতন ছিলেন বলে সন্তানের ইচ্ছাকে প্রাধান্য দিয়ে তাকে মানসিক ও পারিবারিক নানাভাবে সহায়তা করেছেন। কারণ পরিপক্ব মানুষ যখন স্বাধীনভাবে তার নিজের সিদ্ধান্ত অনুসারে কোনো কাজ করে, তখন সে সম্পূর্ণরুপে সেই কাজের জন্য দায়ী থাকে। কিন্তু কখনো কখনো কিছু মানুষ স্বেচ্ছায় স্বাধীনভাবে কিছু কাজ করে না: হয় সে কর্তৃপক্ষের বা গুরুজনের আদেশের বশবর্তী হয়ে কোনো কাজ করছে: নতুবা কারও প্রতি শ্রদ্ধা-ভক্তি বা কারও দায়ী করা যায় না।
শিশুরা অনেক কাজই করে থাকে তাদের পিতামাতার পাথে পরিবার ও স্কুলের শেখানো মূল্য ফোন করে তার নিয়মকানুনের জন্য ও শান্তির ভয়ে। বয়স বৃদ্ধির সাথে আদেশ শুনে বা নিয়মের বশবর্তী হয়ে কাজ করে তার জীবনে পরিপকৃত। বিবেক গঠন একান্ত প্রয়োজন। যে ব্যাক্তি পিতামাতার সিদ্ধান্তে, তার কাজ করে থাকে। তাই সে তার ভালো-মন্দ সব কাজের জন্য দায়ী থাকে। সবশেষে বলা যায়, জয়া ও তার পিতা-মাতার মধ্যে সুন্দর বিবেকের সমন্বয় ঘটেছে বলা যায়।
মূলকথা: বিবেকের সমন্বয়।