1 Answers

শাওন নতুন স্কুলে ভর্তি হওয়ায় নতুন পরিবেশ, নতুন বন্ধুবান্ধব পেয়ে মারামারি, স্কুল পালানো এসব অপরাধে লিপ্ত হয়ে পড়ে। এ সকল অপরাধ কিশোরদের মধ্যে প্রায়ই দেখা যায়। শাওনকে এ ধরনের অপরাধ থেকে দূরে রাখার জন্য যেসকল পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে তা হলো-

শাওনের বিদ্যালয়ে কোনো সমস্যা হলে তা পরিবার ও স্কুল কর্তৃপক্ষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সমাধান করতে হবে। শাওনকেও তার বন্ধুদলের অপরাধমূলক কাজকে উৎসাহ দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। মেলামেশার জন্য ভালো বন্ধুদল নির্বাচন করতে হবে। আইন ও নিয়ম ভঙ্গকারীকে খারাপ বন্ধু হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে।

বাবা-মাকেও শাওনের প্রতি বিশেষ নজর দিতে হবে যেন সে অপরাধের সাথে জড়িয়ে না পরে। এ জগতের খারাপ দিকগুলো শাওনের সামনে তুলে ধরতে হবে। সে নতুন পরিবেশে কাদের সাথে মিশছে, স্কুলে ঠিকমতো যাচ্ছে কি না, বাইরে কীভাবে সময় কাটাচ্ছে এ বিষয়ে শাওনের বাবা-মা যত্নশীল হলে সহজেই তাকে এ ধরনের অপরাধ হতে দূরে রাখতে পারবেন।

6 views

Related Questions

যুদ্ধ, নিপীড়ন, সহিংসতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘন থেকে বাঁচতে আজ সারা বিশ্বে ৮ কোটি ২০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত। বাস্তুচ্যুত মানুষের এ সংখ্যাা বাংলাদেশের জনসংখ্যা র প্রায় অর্ধেক । সারা বিশ্বের বাস্তুচ্যুতির প্রধান পাঁচটি উৎসদেশের একটি হচে।ছ মায়নমার। সেখান থেকে ২০১৭ সালে প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির শিকার হয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় দেয়। এই শরণার্থীরা তাদের নিজ দেশে ফিরে যেতে চায়: কিনুত তাদের নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং মায়ানমারের নাগরিক হিসেবে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা – এসব কিছুই সম্ভব নয় আন্তর্জাতিক মহলের একট সার্বিক উদ্যোগ ছাড়া। তার পূর্ব পর্যন্ত বাংলাদেশ তাদের সুরক্সা, সহায়তা ও নিরাপত্তা দিয়ে যাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে নোয়াখালীর ভাসানচরে তাদের জন্য আধুনিক সুযোগ সুবিধা একটি স্বতন্ত্র আবাসস্থল নির্মাণ করা হয়েছে। সম্প্রতি রোহিঙ্গাদের একটি অংশ সেখানে স্থানান্তর করা হয়েছে। প্রত্যেক শরণার্থীর রয়েছে ব্যক্তিগত দুঃখ –কষ্ট , বঞ্চনা ও যন্ত্রণার ইতিহাস। বাংলাদেশে আশ্রিত এসব রোহিঙ্গা নিয়মিত সংগ্রাম করে যাচ্ছে মর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকতে। তারা আশাবাদী, একদিন তারা নিজ দেশ মায়ানমারে ফিরে যেতে পারবে। (Translate to English)
1 Answers 8 Views