1 Answers

দ্বিতীয়োক্ত সামাজিক সমস্যাটি হলো নারীর প্রতি বৈষম্য। এ সমস্যাটি প্রতিরোধে সামাজিকভাবে বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে বলে আমি মনে করি।

আমাদের প্রচলিত সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি নারী ও পুরুষের মধ্যকার বৈষম্যের সৃষ্টি করে। বিশেষত পুরুষের আধিপত্য ও গোঁড়ামিপূর্ণ মনোভাব নারী ও পুরুষের বৈষম্যটাকে বাড়িয়ে দেয়। তাই পুরুষের আধিপত্য ও গোঁড়ামিপূর্ণ মনোভাব দূর করতে হবে। আমাদের দেশে পুত্র সন্তানকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। ফলে কন্যা সন্তানেরা বঞ্চিত থেকে যায়, যা বৈষম্যকে বাড়িয়ে দেয়। তাই পুত্র সন্তানের মতো কন্যা সন্তানকেও প্রাধান্য দিতে হবে। সচেতনতার অভাবে আমাদের সমাজে নারীর প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ করা হয়। এর পিছনে অজ্ঞতা ও ধর্মীয় গোঁড়ামি কাজ করে। তাই শিক্ষার প্রসার ও ধর্মীয় গোঁড়ামি দূর করে জনগণকে সচেতন করে তুলতে হবে। 

জনগণকে বুঝতে হবে যে কন্যা সন্তানেরা আর সমাজের বোঝা নয়, তারাও পুরুষের মতো কাজ করতে পারে। সংসার পরিচালনা করতে পারে। তাছাড়া রাষ্ট্রকে নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় নারী অধিকার এবং অধিকার সংশ্লিষ্ট আইন বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে এবং নারী অধিকার প্রতিষ্ঠার সাথে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহের কর্মতৎপরতা সম্প্রসারণ করতে হবে। আর এগুলো যথাযথভাবে করতে পারলে জনগণ সচেতন হবে যা তাদের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন করবে। ফলে নারী ও পুরুষের মধ্যকার বৈষম্যকে দূর করবে।

4 views

Related Questions