1 Answers
উদ্দীপকে পবিত্রর মাঝে কর্তৃত্বের যে দিকটি কাজ করছে সে বিষয়ে আলোচনা করা হলো:
কোনো দল বা গোষ্ঠী, সমাজ বা প্রতিষ্ঠান, দেশ বা জাতিকে পরিচালনা করার জন্য কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে যে আইনগত ক্ষমতা বা শক্তি দেওয়া হয় তাকেই কর্তৃত্ব বলে। এ ক্ষমতা তাদের দেওয়া হয় যেন তারা তাদের অধীনস্থদের সঠিকভাবে পরিচালনা করতে পারেন, তাদের অধিকার আদায়ে নিশ্চয়তাদান করতে পারেন, নিয়ম-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং উন্নতিসাধনের জন্য কাজ করতে পারেন। ভালোভাবে শাসন করার অর্থ, অধিকারের নিশ্চয়তাদান এবং দায়িত্ব পালনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা নয় বরং সবার মধ্যে সঠিক সম্পর্ক, ন্যায্যতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ গড়ে তোলার স্বাভাবিক সদিচ্ছা নেতৃবর্গের মধ্যে থাকা বাঞ্ছনীয়। একটি মানবদেহ যেমন মস্তক দ্বারা পরিচালিত হয়, তেমনি একটি পরিবার, সামাজিক বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, এমনকি একটি রাষ্ট্রও তার নেতাদের দ্বারা পরিচালিত হয়। অনরপভাবে একটি স্কুল পরিচালনার জন্য যেমন একজন প্রধান শিক্ষকের দরকার হয়, তেমনি একটি ক্লাসে শৃঙ্খলা বজায় রাখা, ছাত্রদের যেকোনো বিষয়ে প্রতিনিধিত্ব করার জন্য একজন শ্রেণিক্যাপ্টেন থাকে। নবম শ্রেণির ছাত্র পবিত্র খুব নম্র, ভদ্র ও মেধাবী হওয়ায় শ্রেণিশিক্ষক তাকে শ্রেণি ক্যাপ্টেন নির্বাচন করেন। দায়িত্ব পেয়ে পবিত্র শ্রেণির সহপাঠীদের সব সমস্যা প্রধান শিক্ষককে জানায় এবং সেগুলোর সমাধান করে। কোনো ছাত্র অসুস্থ হলে অন্য ছাত্রদের সাথে নিয়ে তাকে সেবা দেয়। শ্রেণিতে কোলাহল ও বিশৃঙ্খলা হলে ছাত্রদের বুঝিয়ে ও অনুরোধ করে শ্রেণিতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনে। এভাবে পবিত্র তার উপর অর্পিত দায়িত্বসমূহ সঠিকভাবে পরিচালনা করে।
সুতরাং বলা যায় যে, পবিত্র কর্তৃত্বের সঠিক ব্যবহার করেছে।
মূলকথা : কর্তৃত্বের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে যেকোনো প্রতিষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা সম্ভব।