1 Answers
মেহজাবিনের মধ্যে আখলাকে হামিদার 'তাকওয়া' গুণটি কাজ করেছে। কারণ তিনি আল্লাহ তায়ালার ভয়ে যাবতীয় পাপাচার থেকে নিজেকে রক্ষা করে কুরআন-সুন্নাহ মোতাবেক জীবন পরিচালনা করেন। তিনি বিশ্বাস করেন, আল্লাহ সবকিছু দেখেন। আল্লাহ তায়ালার ভয়ে যাবতীয় পাপাচার, অত্যাচার ও অন্যায় থেকে বিরত থাকাকে তাকওয়া বলে।
তাকওয়া সকল সৎগুণের মূল। ইসলামি নৈতিকতার মূলভিত্তি হলো তাকওয়া। তাকওয়া মানুষকে মানবিক ও নৈতিক গুণাবলিতে উদ্বুদ্ধ করে। হারাম বর্জন করতে এবং হালাল গ্রহণ করতে প্রেরণা যোগায়। মুত্তাকি ব্যক্তি সদাসর্বদা আল্লাহ তায়ালাকে স্মরণ করেন। আল্লাহ তায়ালা সবকিছু দেখেন, শোনেন, জানেন- এ বিশ্বাস পোষণ করেন। ফলে তিনি কোনোরূপ অন্যায় ও অনৈতিক কাজ করতে পারেন না। কোনোরূপ অশ্লীল কথা, কাজ ও চিন্তাভাবনা করতে পারেন না। কেননা তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, পাপ যত গোপনেই করা হোক না কেন, আল্লাহ তায়ালা তা দেখেন ও জানেন। ফলে তাকওয়াবান ব্যক্তি সকল কাজেই নীতিনৈতিকতা অবলম্বন করেন এবং অনৈতিকতা ও অশ্লীলতা পরিহার করেন।
তাকওয়া মানুষের অন্তরকে পরিশুদ্ধ করে এবং সচ্চরিত্রবান হিসেবে গড়ে তোলে। সকল সৎ ও সুন্দর গুণ অনুশীলনে অনুপ্রাণিত করে। ফলে মুত্তাকিগণ সৎ ও সুন্দর গুণ অনুশীলনে অনুপ্রাণিত হয়। অন্যদিকে, যার মধ্যে তাকওয়া নেই, সে নিষ্ঠাবান ও সৎকর্মশীল হতে পারে না। সে নানা অন্যায়-অত্যাচারে লিপ্ত থাকে। নৈতিক ও মানবিক আদর্শের পরোয়া করে না। ফলে তার দ্বারা সমাজে অনৈতিকতা ও অপরাধের প্রসার ঘটে।
সুতরাং সবার উচিত মেহজাবিনের মতো তাকওয়ার পথ অনুসরণ করা।