1 Answers
সুমনের জীবনযাপনে পাঠ্যপুস্তকের যে চিত্র ফুটে উঠেছে তা হলো খ্রিষ্টবিশ্বাসে বলীয়ান হয়ে মানুষকে মূল্যায়ন ও গুরুত্ব দেওয়া। এর ব্যাখ্যা হলো-
> সুমন যীশুর আহ্বান নিজের মাঝে ধারণ করে জীবনযাপন করছে। যীশু আহ্বান করেছেন, আমি যেমন তোমাদের ভালোবেসেছি, তেমনি তোমরাও পরস্পরকে ভালোবাস। যীশু এ পৃথিবীতে সেবা পেতে আসেননি, সেবা দিতে এসেছেন। এসব কথা বলার মাধ্যমে যীশু আমাদের বোঝাতে চেয়েছেন আমরা যেন নিজেকে বড় মনে না করি। নিজেকে অন্যদের চেয়ে বেশি গুরুত্ব না দিই এবং সর্বক্ষেত্রে যেন নিজেদের প্রধান না ভাবি।
> খ্রিষ্টবিশ্বাসে বলীয়ান সুমনের মাঝে অন্যের সেবা করার, অন্যকে নিয়ে ভাবার, ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করার, পিতামাতার বাধ্য থাকার গুণাবলি লক্ষ করা যায়। সে অন্যদের ভালোবাসে ও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়।
> সুমন তার অসুস্থ বন্ধুকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেল। এ থেকে বোঝা যায় সে বন্ধুবৎসল। সে বন্ধুদের ভালোবাসে এবং তাদের বিপদে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়। বন্ধুর সুস্থতার জন্য সে ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করে ভালোবাসার প্রমাণ দেয়।
সর্বোপরি বলা যায়, সুমন যীশুর দেখানো পথে চলছে বা জীবনযাপন করছে। এ পথ হলো বিশ্বাস, দরিদ্রতা, ভালোবাসা, বন্ধুত্ব, নম্রতা, সেবা, পবিত্রতা ও আত্মত্যাগ।
মূলকথা: যীশুর নির্দেশিত পথে চলা।