1 Answers
জনাব সুমন মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর জীবনী সম্পর্কে অধ্যয়ন করছিলেন।
মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স.) ৫৭০ খ্রিষ্টাব্দে আরবের কুরাইশ বংশে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম আব্দুল্লাহ আর মাতার নাম ছিল আমিনা। জন্মের পূর্বেই তাঁর পিতা ইন্তেকাল করেন। তিনি বিভিন্ন দুঃখ-কষ্টে শৈশব ও কৈশোর জীবন অতিবাহিত করেন। পঁচিশ বছর বয়সে বিবি খাদিজাকে বিবাহ করেন। ৪০ বছর বয়সে ৬১০ খ্রিস্টাব্দে তিনি নবুয়তপ্রাপ্ত হন। ইসলাম প্রচারের শুরুতে তিনি অনেক নির্যাতনের শিকার হন। কিন্তু সৎপথ থেকে তিনি এক চুল পরিমাণ বিচ্যুত হননি। ৬৩০ খ্রিষ্টাব্দে তিনি ১০০০০ সাহাবি নিয়ে মক্কা বিজয় করেন। এর দশম হিজরি মোতাবেক ৬৩২ খ্রিস্টাব্দে মুহাম্মদ (স.) লক্ষাধিক সাহাবি নিয়ে হজ আদায় করেন। ইতিহাসে যা বিদায় হজ নামে পরিচিত। এ সময় তিনি ফিলহজ মাসের ৯ তারিখে আরাফাতের ময়দানে জনসমুদ্রের উদ্দেশে মুহাম্মদ (স.) এক যুগান্তকারী ভাষণ দেন। এ ভাষণে বিশ্ব মানবতার জন্য সকল কিছুর দিকনির্দেশনা ছিল। আরাফাতের ময়দানের পাশে জাবালে রহমত নামক পাহাড়ে উঠে মহানবি (স.) প্রথমে আল্লাহর প্রশংসা করলেন। অতঃপর ভাষণ দিলেন। বিদায় হজের পরে রাসুল (স.) বেশি দিন বেঁচে ছিলেন না। ঐ বছরই তিনি ইন্তেকাল করেন।
উদ্দীপকেও বর্ণিত হয়েছে, সুমন একজন মহামানবের জীবনী অধ্যয়ন করছিল যিনি দশম হিজরি তথা ৬৩২ খ্রিস্টাব্দে লক্ষাধিক সাহাবি নিয়ে কাবা তাওয়াফ করেছেন। জাবালে রহমত নামক পাহাড়ে উঠে তিনি আল্লাহর প্রশংসা করেন। অতঃপর মুসলমানদের উদ্দেশে বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক ভাষণ দেন।
মূলত, উদ্দীপকের সুমনের বর্ণিত ঘটনা রাসুল (স.)-এর বিদায় ইজের কাহিনি। সুতরাং সুমন মহানবি (স.) সম্পর্কে অধ্যয়ন করছিল।