1 Answers

উদ্দীপকের আফরোজা পল্লিজননীর চিরন্তন রূপটিই ধারণ করেছে- মন্তব্যটি যথার্থ। 

পৃথিবীতে সন্তানের জন্য বাবা-মা সব ধরনের ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত থাকেন। এমনকি নিজেদের প্রাণের বিনিময়ে হলেও বাবা-মা সন্তানের মঙ্গল কামনা করেন। পৃথিবীতে সন্তানই তাদের বেঁচে থাকার অবলম্বন। 

উদ্দীপকের আফেরোজা স্বামীর মৃত্যুর পর সন্তানকে আকড়ে ধরে বেঁচে থাকে। কিন্তু দুরন্ত ও চঞ্চল ছেলেটি একসময় মাথায় আঘাত পেলে সে পাগলপ্রায় হয়ে যায়। ডাক্তার, কবিরাজ, হাসপাতাল কিছুই সে বাদ রাখেনি। সে চেয়েছে তার সন্তান সুস্থ হয়ে সুন্দরভাবে বেঁচে থাকুক। 'পল্লিজননী' কবিতার জননীও সন্তানকে সমস্ত সত্তা দিয়ে আগলে রাখতে চায়। সেও অসুস্থ সন্তানকে ভালো করে তুলতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে। নামাজের ঘরে মোমবাতি মানে, দরগায় দান মানে। 

'পল্লিজননী' কবিতার মা তার সকল মমতা ঢেলে দিয়ে সন্তানকে সুস্থ করে তুলতে চায়। কবিরাজের ঝাড়ফুঁক, দরগায় দান মানে সন্তানের মঙ্গল কামনায়। উদ্দীপকের আফরোজাও সন্তানের জন্য উদ্বিগ্ন, সেও সন্তানের জন্য মঙ্গল কামনা করেছে। তার মধ্যে পল্লিজননীর সন্তানবাৎসল্যের চিরন্তন রূপটি ধরা পড়েছে। সুতরাং বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ ও যুক্তিযুক্ত।

7 views

Related Questions