1 Answers

"উদ্দীপকটি 'পল্লিজননী' কবিতার সমগ্র ভাব ধারণ করতে পারেনি।" মন্তব্যটি যথার্থ। 

সন্তানের প্রতি মায়ের ভালোবাসা চিরন্তন। সন্তানের জন্য মা সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেন। সন্তানের সামান্য অসুস্থতাও মায়ের দুশ্চিন্তার কারণ হয়। সন্তানের বিপদ আশঙ্কায় মায়ের মন অস্থির হয়ে ওঠে। এই কষ্ট আরও বেড়ে যায় মা যখন অভাবের কারণে তার সন্তানের চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে পারেন না।

'পল্লিজননী' কবিতায় কবি রোগাক্রান্ত পুত্রের শিয়রে বসে রাত জাগা এক মায়ের মনঃকষ্ট তুলে ধরেছেন। মায়ের মনে পুত্র হারানোর শঙ্কা বারবার জেগে উঠেছে। দরিদ্র মা অসুস্থ পুত্রের সাধ্যমতো সেবা করেন। মসজিদে মোমবাতি এবং দরগায় দান মানত করেন। অপত্যস্নেহের অনিবার্য আকর্ষণই এই কবিতার মূল বিষয়। আর উদ্দীপকে কেবল দারিদ্র্যক্লিষ্ট জীবনের যন্ত্রণাই ফুটে উঠেছে। এখানে অভাবের কারণে আসমানিদের জীবনের করুণ অবস্থা প্রতিফলিত হয়েছে। যা আলোচ্য কবিতার একটি দিক।

'পল্লিজননী' কবিতায় এক পল্লিমায়ের দারিদ্র্যক্লিষ্ট জীবনের যে দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে, তা উদ্দীপকেও প্রতিফলিত হয়েছে। উভয় ক্ষেত্রেই তাদের জীবনের দুর্ভোগ ফুটে উঠেছে। তবে 'পল্লিজননী' কবিতায় এই দারিদ্র্য ছাপিয়ে সন্তানের প্রতি স্নেহ-ভালোবাসাই প্রধান হয়ে উঠেছে। এদিক বিচারে তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

5 views

Related Questions