1 Answers

না, উদ্দীপকটি 'পল্লিজননী' কবিতার সামগ্রিক ভাব ধারণ করে না।

অসহায় দরিদ্র মানুষদের সাহায্য-সহযোগিতা করা সমাজের বিত্তবান মানুষদের দায়িত্ব ও কর্তব্য। কারণ সমাজে মানুষ মানুষকে সহযোগিতা করবে এটাই স্বাভাবিক। আর এর ব্যতিক্রম ঘটলে সমাজে সৃষ্টি হয় নানা ধরনের বৈষম্য ও বিশৃঙ্খলা।

উদ্দীপকে দরিদ্র এক ব্যক্তির অসহায় পরিস্থিতি ব্যক্ত হয়েছে, যে অভাবের তাড়নায় নিজের খাবার জোগাড় করতে পারে না। এমনকি তার অবলা জীবের খাবার পর্যন্ত সে জোগাড় করতে পারে না। সে কারণে অন্যের দ্বারস্থ হতে হয়েছে তাকে। 'পল্লিজননী' কবিতায় পল্লিগ্রামের অসহায় মায়ের আকুতি প্রকাশ পেয়েছে। রুগ্‌ণ ছেলের পাশে বসে মা তার সুস্থতা কামনা করেছে। কখনো দরগায় মানত করেছে, আবার কখনো খোদার কাছে মিনতি করেছে। কখনো আবার ছেলের প্রাণ চলে যাওয়ার আশঙ্কায় ভীত হয়ে কেঁপে উঠেছে। ছেলের শিয়রে বসে দুঃখিনী মা তার আর্থিক দৈন্যের কথা ভেবেছে। ছেলের পূরণ না করা আবদারগুলোর কথা মনে করে কেঁদেছে, কষ্ট পেয়েছে। সর্বোপরি কবিতায় এক দুঃখী ও অসহায় মায়ের বুকফাটা আর্তনাদ ফুটে উঠেছে।

উদ্দীপকে দরিদ্র ও অসহায় এক ব্যক্তির পরিস্থিতি ব্যক্ত হলেও তা 'পল্লিজননী' কবিতা থেকে ভিন্ন। কারণ 'পল্লিজননী' কবিতায় এক বিরহিণী দুঃখী মায়ের চিত্র প্রকাশ পেয়েছে। আর্থিক দৈন্যের দিক থেকে উদ্দীপক ও কবিতার সাদৃশ্য থাকলেও মায়ের বুকফাটা আর্তনাদ উদ্দীপকে দেখা যায় না। তাই বলা যায়, উদ্দীপকটি 'পল্লিজননী' কবিতার সামগ্রিক ভাব ধারণ করে না।

5 views

Related Questions