1 Answers

কবিতায় উল্লিখিত সভ্যতার বিবর্তনের সঙ্গে প্রকৃতির সম্পর্কটি অত্যন্ত নিবিড়। উভয় ক্ষেত্রেই প্রকৃতির অমর-অক্ষয় রূপটি উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে।

মানুষই বিভিন্ন আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে নানাভাবে পৃথিবীর বুকে সভ্যতা গড়ে তুলেছে। প্রকৃতির আঘাতে বা কালের গর্ভে সেই সভ্যতা আবার কখনো কখনো ম্লানও হয়েছে। কিন্তু তাতে তাদের সভ্যতার নির্মাণকাজ থেমে থাকেনি, থেমে থাকেনি প্রকৃতির বহমানতা। ভাঙা-গড়ার মধ্য দিয়ে টিকে আছে প্রকৃতি। আর প্রকৃতির রূপমুগ্ধ হয়ে বেঁচে আছে মানুষের স্বপ্ন।

মানুষই বিভিন্ন আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে নানাভাবে পৃথিবীর বুকে সভ্যতা গড়ে তুলেছে। প্রকৃতির আঘাতে বা কালের গর্ভে সেই সভ্যতা আবার কখনো কখনো ম্লানও হয়েছে। কিন্তু তাতে তাদের সভ্যতার নির্মাণকাজ থেমে থাকেনি, থেমে থাকেনি প্রকৃতির বহমানতা। ভাঙা-গড়ার মধ্য দিয়ে টিকে আছে প্রকৃতি। আর প্রকৃতির রূপমুগ্ধ হয়ে বেঁচে আছে মানুষের স্বপ্ন।

উদ্দীপকে প্রকৃতির চিরকাল প্রাণময় হয়ে বিরাজমান থাকার বিষয়টি প্রতিফলিত। প্রকৃতির এই চিরকালীন সৌন্দর্য ফুরিয়ে যাওয়ার নয়। উদ্দীপকের এই বোধের সঙ্গে 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় বর্ণিত অফুরন্ত সৌন্দর্যবোধ সাদৃশ্যপূর্ণ। সভ্যতা বিবর্তনের সঙ্গে এ সৌন্দর্যের পরিবর্তন হয় না। বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে কেবল রূপ বদলায়, ধ্বংস হয় না। উদ্দীপকে অপু, দুর্গা প্রকৃতির শাশ্বত সন্তান হয়ে উঠলেও তাদের যেমন আসা-যাওয়া আছে, তেমনই কবিতায়ও মানুষের তৈরি বা গড়া সভ্যতার বিলীন বা ধ্বংস লক্ষ করা যায়। কিন্তু উভয় ক্ষেত্রে প্রকৃতি চির অমর, অবিনশ্বর।

উদ্দীপক ও কবিতায় প্রকৃতির অমরত্বের দিকটি ফুটে উঠেছে। কবিতায় প্রকৃতির চিরকালের ব্যস্ততা, মাঠের চঞ্চলতা, চালতাফুলে পড়ে থাকা শীতের শিশিরবিন্দু, লক্ষ্মীপেঁচার মঙ্গলধ্বনি প্রভৃতি অমরত্বের প্রতীক। উদ্দীপকে এই বিষয়টিই প্রকৃতির নানা রূপ-রসে, গন্ধ- বর্ণে বিরাজমান থাকার সঙ্গে সম্পর্কিত। কাজেই সভ্যতার বিবর্তনে প্রকৃতির যে পরিবর্তন নেই সেই সত্যটি উদ্দীপক ও কবিতায় সমানভাবে ধরা পড়ে।

4 views

Related Questions