1 Answers
উদ্দীপকের চান্দু মিয়ার সঙ্গে 'মানুষ' কবিতার মোল্লা-পুরোহিতের স্বার্থপরতার সাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়।
মানুষকে ভালোবেসে সৃষ্টিকর্তার সন্তুষ্টি অর্জন করা যায়। মানুষের কল্যাণে আত্মনিয়োগ না করলে মনুষ্যত্ব অর্জন করা যায় না। মানবসেবার মধ্য দিয়েই সৃষ্টিকর্তার নৈকট্য লাভ করা যায়।
উদ্দীপকের চান্দু মিয়ার মাঝে স্বার্থপরতা লক্ষ করা যায়। ঈদ আসে সবার জন্য। অথচ চান্দু মিয়া শুধু নিজের ব্যক্তিগত বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে ঈদ উদ্যাপন করেছে। দামি খাবার, দামি পোশাকে আপনজনের খুশি নিশ্চিত করেছে। পাশে রহিমুদ্দির মা অভুক্ত রয়েছে, তাতে চান্দু মিয়ার কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। 'মানুষ' কবিতায়ও মোল্লা-পুরোহিতের মাঝে নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকার দিকটি প্রকাশ পেয়েছে। ক্ষুধার্ত মানুষকে তাড়িয়ে দিয়ে তারা সমস্ত খাবার নিজেরা ভোগ করেছে। কবিতায় তাদের নির্দয় আচরণে যে স্বার্থপরতা ফুটে উঠেছে তা উদ্দীপকের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।