1 Answers
'সমাজের উপেক্ষিতদের মাধ্যমেও অনেক গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধান সম্ভব'- মন্তব্যটি যথার্থ।
আমাদের সমাজে যারা উপেক্ষিত তারাই সভ্যতার প্রকৃত কারিগর। তাদের শ্রম ও কর্মদক্ষতায় জগৎ-সংসার সচল রয়েছে। অথচ তারাই প্রতিটি ক্ষেত্রে অবমূল্যায়িত হয়। তাদের ব্যবহারিক জ্ঞান দ্বারা অনেক বড় সমস্যারও তাৎক্ষণিক সমাধান সম্ভব, যা স্বীকৃত জ্ঞানীরা সমাধান সমাধান করতে হিমশিম খান।
উদ্দীপকে দেখা যায় স্কুলের চাল ফুটো হয়ে পানি পড়ার সমস্যার কথা জানালে জেলা বোর্ডের কর্মকর্তা প্রধান শিক্ষককে আগামী বাজেট পর্যন্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে বলেন। এদিকে ভবঘুরে সোহেল তার বন্ধুদের নিয়ে সমস্যাটির সমাধানের পথ বের করে। 'জুতা- আবিষ্কার' কবিতায়ও এ সমস্যা সমাধানে চামার-কুলপতির অবদানের দিক প্রতিফলিত হয়েছে।
'জুতা-আবিষ্কার' কবিতায় রাজাকে ধুলা থেকে বাঁচাতে গিয়ে মন্ত্রীসহ জ্ঞানী-গুণী-পণ্ডিতরা সমস্যা আরও বাড়িয়ে তোলেন। তবে এর সঠিক সমাধান করেন সমাজে অবহেলিত, উপেক্ষিত এক চামার। তিনি রাজার পায়ের জুতা তৈরি করে রাজ্যের মানুষকে দুর্দশার হাত থেকে বাঁচান। উদ্দীপকেও অবহেলিত, ভবঘুরে যুবক সোহেল সমস্যার সমাধান করেছে। তাই বলা যায়, সমাজের উপেক্ষিতদের মাধ্যমেও অনেক গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধান সম্ভব।