1 Answers
উদ্দীপকে উল্লিখিত সুধী সমাজের আচরণের মধ্য দিয়ে 'জুতা-আবিষ্কার' কবিতার সমস্যার গুরুত্ব না বুঝে সমাধান বাতলানো এবং উদ্ভট চিন্তার দিকটি ফুটে উঠেছে।
জীবনে চলার পথে মানুষকে নানা সমস্যা ও প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হতে হয়। সেগুলোকে সঠিক পন্থায় যথাসময়ে মোকাবিলা করতে হয়। না হলে হিতে বিপরীত হয় এবং সমস্যার মাত্রা বেড়েই চলে।
উদ্দীপকে অর্থহীন পন্ডশ্রমের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। এখানে বক্তা কান চিলে নিয়ে গেছে ভেবে কান ফেরত পাওয়ার জন্য মিটিং করে চিলের পিছু ছোটে। অথচ কান যেখানে থাকার কথা সেখানেই রয়েছে। ভুল করে বৃথাই সে চিলের পিছে ছুটে বেড়িয়েছে। এই ধরনের উদ্ভট সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন 'জুতা-আবিষ্কার' কবিতায় মন্ত্রী গোবুরায়। তিনি রাজার পা ধুলা থেকে রক্ষা করতে রাজ্যের জ্ঞানী- গুণী ও মন্ত্রীদের সাথে পরামর্শ করে ঝাঁটা দিয়ে রাজ্যের সব ধুলা দূর করার নির্দেশ দেন। এতে রাজ্য ধুলাময় হয়ে ওঠে। তখন পুকুর, নদী, বিল থেকে জল তুলে শহর-নগর জল-কাদায় পরিপূর্ণ করে ফেলে। এই অদূরদর্শী সিদ্ধান্ত ব্যবস্থা গ্রহণের দিক থেকে 'জুতা- আবিষ্কার' কবিতার সঙ্গে উদ্দীপকের সুধী সমাজের আচরণের মিল রয়েছে।