1 Answers

"উদ্দীপকের মূলভাব 'জীবন-সঙ্গীত' কবিতার মূলভাবের বিপরীত।"- মন্তব্যটি যথার্থ। 

মানবজীবন কোনো ফুলশয্যা নয়। প্রতিনিয়ত মানুষকে প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে টিকে থাকতে হয়। জীবনযুদ্ধে হেরে যাওয়ার ভয়ে কাজ থেকে বিরত থাকলে জীবনে সাফল্যের মুখ দেখা যায় না। জীবনের শোক-ক্লান্তিকে এক পাশে রেখে অন্ধকার ছেড়ে আলোর পথে এগিয়ে যেতে হবে।

উদ্দীপকে শোকে মুহ্যমান ব্যর্থ জীবনের কথা বলা হয়েছে। উদ্দীপকের কবি আলোর বিপরীতে থাকতে চান। আলোতে উত্তরণের স্পৃহা তার নেই। এখানে তাঁর জীবনের যে হতাশা ও ব্যর্থতা প্রকাশ পেয়েছে তা 'জীবন-সঙ্গীত' কবিতার মূলভাবের সঙ্গে বৈসাদৃশ্যপূর্ণ। কবিতার প্রথমাংশেই কবি জীবনের কাতরতা ও ব্যর্থতা পরিহার করে এগিয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন।

'জীবন-সঙ্গীত' কবিতায় কবি মানুষকে এ পৃথিবীতে সাহসী যোদ্ধার মতো সংগ্রাম করে টিকে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। আর মিথ্যা সুখের স্বপ্নে জীবনকে হতাশায় ও ব্যর্থতার গ্লানিতে আচ্ছন্ন করতে বারণ করেছেন। উদ্দীপকে এর বিপরীত চেতনা প্রকাশ পেয়েছে। এখানে কবি নিজেকে ব্যর্থ হিসেবে তুলে ধরেছেন। এদিক বিচারে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

5 views

Related Questions