1 Answers

সম্পর্ক থাকলেও উদ্দীপকের মূলভাব এবং 'নিয়তি' গল্পের মূলভাব এক নয়। মন্তব্যটি যথার্থ। 

কুকুর সবচেয়ে বিশ্বস্ত পোষা প্রাণী। কুকুর তার মনিবের জন্য জীবন দিতে পারে। কুকুরের ঘ্রাণশক্তি অত্যন্ত প্রখর। শত্রুকে চেনা এবং চিহ্নিত করার ক্ষেত্রে এরা মানুষের সঙ্গে সাহায্যকারী হিসেবে কাজ করে।

উদ্দীপকে মানুষের পরম বন্ধু কুকুর রোগাক্রান্ত হলে কীভাবে চরম শত্রুতে পরিণত হয় তা বর্ণিত হয়েছে। সংক্রামক জাতীয় মরণব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে কুকুরটি যন্ত্রণাকাতর হয়ে পাগল হয়ে যায়। তখন মানুষকে কামড়ায়। উদ্দীপকের কুকুরের এই যন্ত্রণাকাতর অবস্থাটি 'নিয়তি' গল্পের কুকুরটির মৃত্যুর আগে সাপের বিষের প্রতিক্রিয়ায় কাতরানোর সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। সুস্থ অবস্থায় উদ্দীপকের কুকুরের গৃহকর্তার প্রতি বন্ধুসুলভ আচরণের দিকটি 'নিয়তি' গল্পের বেঙ্গল টাইগারের সুস্থ অবস্থার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। এ বিষয়টি ছাড়াও 'নিয়তি' গল্পে লেখক আরও কিছু বিষয় তুলে ধরেছেন যেগুলো উদ্দীপকে নেই।

'নিয়তি' গল্পে লেখকের মা জগদলের রাজবাড়িতে থাকার সময় সেই বাড়ির কুকুরটির প্রতি আদর-যত্নের ক্ষেত্রে যে মানসিকতার পরিচয় দিয়েছেন তা উদ্দীপকে নেই। 'নিয়তি' গল্পে লেখক তাঁর শৈশবের স্মৃতিকথা স্মরণ করেছেন। উদ্দীপকের বিষয়টি তেমন স্মৃতিকথা নয়। গল্পে নিজের ছেলের জীবন রক্ষাকারীকে লেখকের বাবা গুলি করে যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দিয়েছেন এবং নিজে যন্ত্রণাকাতর হয়েছেন। উদ্দীপকে এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। এ দিক থেকে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

5 views

Related Questions