1 Answers
উদ্দীপকটি 'জীবন-সঙ্গীত' কবিতার মানবজীবনের প্রকৃত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যর যে বর্ণনা দেওয়া হয়েছে তার সঙ্গে বৈসাদৃশ্যপূর্ণ।
সাফল্য-ব্যর্থতা নিয়েই মানুষের জীবন। জীবনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সাধনের জন্য মানুষকে কাজ করতে হয়। কাজের মাধ্যমে মানুষ সাফল্য অর্জন করতে পারে। কাজ করতে গিয়ে মানুষকে নানা সমস্যা ও প্রতিকূল পরিবেশের সম্মুখীন হতে হয়। জীবনকে বোঝা মনে করে হতাশ হলে চলে না। কারণ ব্যর্থজীবনের গ্লানি বহন করার জন্য কারও জন্ম হয়নি।
উদ্দীপকের কবিতাংশে শোকে বিহ্বল হতাশাচ্ছন্ন জীবনের দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। এখানে দেখা যায় কবি আলোকে ভালোবাসতে পারেন না। তিনি আঁধারে থাকতে চান। তিনি নিজের দীনতা স্বীকার করে প্রভুর কাছে আত্মনিবেদন করেছেন। স্রষ্টার কাছে উদ্দীপকের কবির যে আত্মনিবেদন, তাতে ভুল নেই। কিন্তু জীবনকে হতাশায় মোড়ানো জীবনের প্রকৃত উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য হতে পারে না। উদ্দীপকের এই বিষয়টি 'জীবন-সঙ্গীত' কবিতার সঙ্গে বৈসাদৃশ্যপূর্ণ। কারণ কবিতায় কবি মিথ্যা সুখের আশায় স্বপ্নে বিভোর হয়ে না থেকে কাজ করতে বলা হয়েছে। জীবন পথে এগিয়ে যাওয়ার জন্য সমস্ত বাধা-বিঘ্ন অতিক্রম করার কথা বলা হয়েছে। পরিশ্রম করে নিজের ভাগ্যকে জয় করতে বলা হয়েছে। কারণ সংসার সমরাঙ্গন সদৃশ। তাকে সংগ্রামের মাধ্যমেই জয় করতে হয়। উদ্দীপকে এই জয়ের সুর বেজে ওঠেনি। এখানেই বৈসাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়।