1 Answers

উদ্দীপকটি 'জীবন-সঙ্গীত' কবিতার মৃত্যুচেতনার দিকটিকে নির্দেশ করে। 

মানবজীবন ক্ষণস্থায়ী। এই ক্ষণস্থায়ী জীবনে সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না, আনন্দ-বেদনা, উত্থান-পতন সবই থাকে। এগুলোকে মোকাবিলা করেই মানুষকে সামনে এগিয়ে যেতে হয়, জীবনকে সার্থক ও আনন্দময় করে তুলতে হয়। যারা তা পারে না তারা জীবনের কাছে হেরে যায়। জীবনযুদ্ধে হেরে গেলে জীবন ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়।

উদ্দীপকে পরপারে যাওয়ার প্রস্তুতির কথা বলা হয়েছে। এখানে ব্যক্তি নিজেকে লোকান্তরের যাত্রী হিসেবে পরিচয় দিয়ে তার যাত্রাপথের দূরত্ব কমিয়ে রাখার কথা বলেছেন। তিনি বাঁধন ছিঁড়ে যাবার আগে ভারমুক্ত হতে চেয়েছেন। এখানে দেহের শিকল কাটার যে কথা বলা হয়েছে তা মৃত্যুচেতনাকে নির্দেশ করে। এ বিষয়টি 'জীবন-সঙ্গীত' কবিতায় প্রতিফলিত মৃত্যুচেতনার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। এ কবিতায় জীবনের মূল্য না বুঝে জীবনকে 'নিশার স্বপন' এবং আয়ুকে 'শৈবালের নীর' মনে করার বিষয়টিও মৃত্যুচেতনাকে নির্দেশ করে। জীবন থেকে ছুটি নিয়ে পরপারের যাত্রী হওয়ার বিষয়ে উদ্দীপকের ব্যক্তির যে পরিচয় পাওয়া যায়, তা 'জীবন-সঙ্গীত' কবিতার মানবজীবন ক্ষণস্থায়ী বিষয়টির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকটি আলোচ্য কবিতায় মৃত্যুচেতনার দিকটিকে নির্দেশ করে।

4 views

Related Questions