1 Answers
মানব জনম সার্থক করতে উক্ত দিক ছাড়াও 'জীবন-সঙ্গীত' কবিতায় কবি আরও কিছু দিকনির্দেশনা দিয়েছেন- মন্তব্যটি যথার্থ।
কাজের মধ্য দিয়ে মানুষ পৃথিবীতে টিকে থাকে। কারণ মহৎ ও কল্যাণকর্ম অবিনশ্বর। জগতে পরিশ্রম ও কল্যাণচিন্তার মধ্য দিয়েই মানুষ অমরত্ব লাভ করে।
উদ্দীপকে তিনজন বিখ্যাত ও প্রভাবশালী দার্শনিকের কথা প্রকাশ পেয়েছে। সক্রেটিস, প্লেটো ও এরিস্টটল। এদের মধ্যে প্লেটো সক্রেটিসের ছাত্র, এরিস্টটল প্লেটোর ছাত্র। যাঁরা গুরুর পদাঙ্ক অনুসরণ করে হয়েছেন বরণীয় ও স্মরণীয়। 'জীবন-সঙ্গীত' কবিতায় মানবজনম সার্থক করতে বরণীয় ব্যক্তিদের পদাঙ্ক অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। কিন্তু এ বিষয়টি ছাড়াও কবিতায় আরও কিছু দিকনির্দেশনা কবি দিয়েছেন। যেমন- স্বপ্নের বেড়া-জালে আবদ্ধ থেকে হতাশ হওয়া যাবে না, বাহ্যদশ্যে ভোলা যাবে না, সুখের আশা করা যাবে না, সংসারে সংসারী হতে হবে, সাহসের সঙ্গে জীবনযুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে হবে ইত্যাদি, যা উদ্দীপকে প্রকাশ পায়নি।
'জীবন-সঙ্গীত' কবিতায় কবি মানবজনমকে সার্থক করতে অনেক দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। আমাদের জীবনের নানা স্বপ্ন, প্রেম- ভালোবাসা, পরিবার গঠন, সংসারের নানা যন্ত্রণাকাতরতা ও হতাশার কথা বলেছেন এবং তা থেকে উত্তরণের পথনির্দেশ করেছেন। উদ্দীপকে এসব বিষয় অনুপস্থিত। এসব দিক বিবেচনা করে বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।