1 Answers

'হতাশা নয় বরং সহিষ্ণুতা ও ধৈর্যই মানুষের জীবনে চরম সাফল্য বয়ে আনে।'- মন্তব্যটি যথার্থ ' ।

মানবজীবন এত সহজ নয়। প্রতিনিয়ত মানুষকে প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে টিকে থাকতে হয়। এই পৃথিবীতে কঠোর পরিশ্রম ছাড়া সাধারণভাবে কোনোকিছু অর্জন করা যায় না। কাজেই মানুষের উচিত দুঃখ-যন্ত্রণা-অলসতা দূর করে জগতে টিকে থাকার কাজে আত্মনিয়োগ করা। কোনো কাজে অস্থির ও অধৈর্য হলে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জিত হয় না।

উদ্দীপকে রবার্ট ব্রুসের অধৈর্য হয়ে ব্যর্থ মনোরথে বনে চলে যাওয়া এবং সাধারণ একটি মাকড়সার ধৈর্য ও অদম্য চেষ্টায় সফলতার দিক তুলে ধরা হয়েছে। ঘটনাক্রমে রবার্ট ব্রুস ছয়বার যুদ্ধে পরাজতি হয়েছিলেন। আর মাকড়সা ছয়বার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে জাল তৈরি থেকে বিরত হয়নি, বরং চেষ্টা চালিয়েছে এবং সমপ্তমবারের সময় সে সফল হয়েছে। এই দৃশ্য দেখে রবার্ট ব্রুস অনুপ্রাণিত হন এবং তিনিও সপ্তমবারের চেষ্টায় যুদ্ধে জয়লাভ করেন। এভাবে উদ্দীপকের মূল চেতনা এবং 'জীবন-সঙ্গীত' কবিতায় প্রতিফলিত জীবনের সমস্ত হতাশা ভুলে গিয়ে ধৈর্যের সঙ্গে সময়ের কাজ সময়ের মধ্যে করে সফলতা অর্জনের চেতনা একসূত্রে গাঁথা।

'জীবন-সঙ্গীত' কবিতায় কবি আমাদের জীবনের নানা স্বপ্ন, প্রেম-ভালোবাসা, পরিবার গঠন, সংসারের নানা যন্ত্রণাকাতরতা ও হতাশার কথা বলেছেন। তিনি সংসারে টিকে থাকার জন্য আমাদের বিভিন্ন চেষ্টা ও সংগ্রামের কথা বলেছেন। সেই সংগ্রামে অধৈর্য হলে জীবন কীভাবে ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয় তা ব্যাখ্যা করেছেন। উদ্দীপকে মাকড়সা ছয়বার পরাজিত হয়ে সপ্তমবারে সফল হয়েছে। আর সেই বিষয়টি রবার্ট ব্রুসকে পুনরায় যুদ্ধে এগিয়ে যাওয়ার জন্য অনুপ্রাণিত করেছে। ফলে তিনি সপ্তমবারের চেষ্টায় সফল হয়েছেন। এসব দিক বিবেচনা করে তাই বলা হয়েছে যে, 'হতাশা নয় বরং সহিষ্ণুতা ও ধৈর্যই মানুষের জীবনে চরম সাফল্য বয়ে আনে।'

7 views

Related Questions