1 Answers
উদ্দীপকের প্রথমাংশে 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার স্মৃতিকাতরতার সাদৃশ্য বোঝানো হয়েছে।
জন্মভূমির সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়। কোনো কারণে কেউ মাতৃভূমি ছেড়ে দূরে গেলে তার অন্তরে স্বদেশের নদ-নদী-জল, মাটি-মানুষের প্রতি গভীর ভালোবাসা জেগে ওঠে। যত উন্নত পরিবেশের সঙ্গে সে জীবনকে জড়াক না কেন, জন্মভূমিকে কখনই সে ভুলতে পারে না।
উদ্দীপকের কবির চোখে জন্মভূমির শৈশবের সাধারণ বিষয়গুলো অনির্বচনীয় সৌন্দর্য নিয়ে ধরা পড়েছে। কবির মনে পড়ে পল্লিমায়ের সেই শান্ত-স্নিগ্ধ কোল, ঝাউশাখে বুনো লতা বেঁধে মনের আনন্দে দোল খাওয়ার সুখস্মৃতিগুলোর কথা, শৈশবের খুনসুটির কথা। উদ্দীপকের কবির এই স্মৃতিকাতরতা এবং স্বদেশপ্রেম 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতায়ও প্রকাশিত। 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার কবি দূর প্রবাসে বসে মাতৃভূমি ও শৈশবের প্রিয় কপোতাক্ষ নদের কথা মনে করে কাতর হয়েছেন। মাতৃভূমির প্রতি কবির এই আকর্ষণ এবং জন্মভূমি মায়ের বুকে ফিরে আসার ব্যাকুলতা তার স্বদেশপ্রেমের চেতনাকে বিশিষ্টভাবে উন্মোচিত করেছে, যা উদ্দীপকের কবির চেতনার মাঝে প্রতিফলিত। মাতৃভূমির প্রতি গভীর অনুরাগ ও স্মৃতিকাতরতার দিক দিয়ে উদ্দীপকের ভাবের সঙ্গে আলোচ্য কবিতার সাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়।