1 Answers

উদ্দীপকের ওয়াসিমের কর্মকান্ড সুদ এবং শরিফা বেগমের কর্মকাণ্ড ঘুষ হিসেবে পরিগণিত।

আমরা জানি, ইসলামে সুদ ও ঘুষকে স্পষ্টভাবে হারাম ঘোষণা করা হয়েছে। এগুলো অবৈধ কোনো অবস্থাতেই সুদ-ঘুষের লেনদেন বৈধ নয়। আল্লাহ তায়ালা বলেন- 

وَأَحَلَّ اللَّهُ الْبَيْعَ وَحَرَّمَ الرِّبَوا

অর্থ : “আর আল্লাহ ব্যবসাকে হালাল করেছেন এবং সুদকে করেছেন হারাম।” (সূরা আল-বাকারা: ২৭৫)

অন্য আয়াতে এসেছে, “হে ইমানদারগণ! তোমরা চক্রবৃদ্ধি হারে 64 সুদ খেয়ো না এবং আল্লাহকে ভয় কর। তাহলে তোমরা সফলকাম হতে পারবে।” (সূরা আলে-ইমরান: ১৩০)

ঘুষের আদান-প্রদানও হারাম বা অবৈধ। আল্লাহ তায়ালা বলেন, "তোমরা পরস্পরের ধনসম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করো না এবং মানুষের ধন-সম্পত্তির কিয়দংশ অন্যায়ভাবে গ্রাস করার উদ্দেশ্যে জেনেশুনে বিচারকদের নিকট পেশ করো না।" (সূরা আল-বাকারা : ১৮৮)

আলোচনার আলোকে প্রমাণিত হয়, সুদ ও ঘুষ সর্বাবস্থায় হারাম। তা গ্রহণ করা যেমন হারাম, তেমনি সুদ ও ঘুষ দেওয়াও হারাম। সুদ দেওয়া ও সুদ নেওয়া উভয়টিই সমান অপরাধ। এমনকি সুদের সাথে সংশ্লিষ্ট থাকাও অপরাধ। রাসুল (স.) সুদি কারবারের বা সুদি লেনদেনে সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তিকে অভিশাপ দিয়েছেন। অতএব, ওয়াসিম ও শরিফা বেগমের তওবা পড়ে সংশোধন হওয়া জরুরি।

4 views

Related Questions