1 Answers
বর্ধনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হিসেবে পরিপক্বতা ও শিক্ষণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষণের জন্য বিকাশগত দিক থেকে প্রস্তুত না হলে শিশু কোনো শিক্ষাই গ্রহণ করতে পারে না। কোন আচরণ বা দক্ষতা অর্জন করতে হলে শারীরিক ও মানসিক দিক দিয়ে প্রস্তুত থাকতে হবে। যে শিশু শিক্ষণের জন্য প্রস্তুত নয় তার ক্ষেত্রে শিক্ষণ কার্যক্রম সময়ের অপচয় মাত্র।
শিক্ষনের জন্য পরিপক্বতাও বেশ জরুরি। পরিপক্বতাই শিক্ষা দেওয়ার উপযুক্ত সময় নির্দেশ করে। শিশু যখন পেন্সিল ধরতে পারবে তখনই তাকে লেখা শেখানো যাবে। আবার পরিপক্বতানুযায়ী শিক্ষণ ব্যবস্থা না করা হলে সেই শিক্ষণ শিশু আয়ত্ত করতে পারে না, তা শিশুর জন্য মঙ্গলও বয়ে আনে না। শিশুর আগ্রহ, প্রচেষ্টা, উদ্দীপনা না থাকলে শিক্ষণ কার্যক্রম ব্যাহত হয়। বয়সের সাথে সাথে শিশু যত পরিপক্বতা অর্জন করে ততই সে শিক্ষণের জন্য প্রস্তুত হতে থাকে। আর তখন তাকে যে শিক্ষা দেওয়া হয় তা সে ঠিকভাবে আয়ত্ত করে নিতে পারে।
তাই বলা যায়, শিক্ষণের জন্য শিশুকে পূর্বে প্রস্তুত করে তোলা জরুরি। শামীমা বেগম প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা। তাই তিনি পড়ানোর ক্ষেত্রে সহজ প্রাথমিক বিষয়গুলো আগে পড়ান। ফলে শিশুরা জটিল বিষয় সম্পর্কে পূর্বপ্রস্তুতি লাভ করে। তাই বলা যায়, শিক্ষণের জন্য প্রস্তুতির গুরুত্ব অপরিসীম।