1 Answers

মাহমুদের বাবার কাজটি ইসলামের দৃষ্টিতে নিন্দনীয় ও গর্হিত কাজ। তিনি তার ব্যক্তিগত কাজে অফিসের গাড়ি ব্যবহার করেন। যা রীতিমতো আমানতের খিয়ানতের শামিল এবং চরম অন্যায় হিসেবে পরিগণিত। কেননা এটা রাষ্ট্রীয় সম্পদ এবং জনগণের আমানত। কোনো অবস্থাতেই এটি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারযোগ্য নয়। কারণ আমানত রক্ষার প্রতি গুরুত্বারোপ করে মহান আল্লাহ পাক কুরআন মজিদে বলেন, "নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের আদেশ দিচ্ছেন যে, তোমরা যেন আমানতসমূহ তার মালিককে যথাযথভাবে ফেরত দাও।" (সূরা আন্-নিসা: ৫৮) মহানবি (স.) বলেছেন, "যার মধ্যে আমানতদারি নেই, তার ইমান নেই।" এতে প্রমাণিত হয়, আমানতদারিতা ইমানের অঙ্গ। যাদের ইমান আছে তারা আমানতের খিয়ানত করতে পারে না। আর যারা খিয়ানত করে তারা প্রকৃত মুমিন নয়। তারা প্রতারক ও মুনাফিক। খিয়ানতকারী শুধু মানব সমাজেই ঘৃণিত নয়, সে আল্লাহর কাছেও ঘৃণিত ও অভিশপ্ত। কুরআন মজিদে আছে, “নিশ্চয়ই আল্লাহ খিয়ানতকারীকে পছন্দ করেন না।" (সূরা আল-আনফাল : ৫৮)

উপর্যুক্ত আলোচনার আলোকে প্রমাণিত হয়, মাহমুদের বাবা। আমানতের খিয়ানত করার কারণে প্রতারক ও বেইমান বলে পরিগণিত হবেন। ইসলামের দৃষ্টিতে পরকালীন শাস্তি ভয়াবহ। সুতরাং তাকে তাওবা করে সৎ পথে ফিরে আসা উচিত।

6 views

Related Questions