1 Answers
জনাব আনিস নারীদের যেমন শ্রদ্ধা করেন তেমনি তাদের প্রতি সদয় আচরণ করেন। জনাব আনিসের এ সৌন্দর্যমণ্ডিত চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যটি প্রকৃতপক্ষে মহানবি (স.)-এর চারিত্রিক গুণাবলির অনুসরণের প্রতিফলন। রাসুল (স.)-এর আমলে গোটা বিশ্বে নারীদের কোনো সম্মান ও মর্যাদা ছিলনা। তারা ছিল ভোগ্য পণ্যের ন্যায় এবং পুরুষদের ক্রীতদাসী বা যৌন দাসী। রাসুল (স.) ই সর্বপ্রথম তাদেরকে মায়ের মর্যাদা দিলেন। রাসুল (স) ঘোষণা করলেন, "মায়ের পদতলে সন্তানের বেহেশত।” তিনি বললেন, "আল্লাহর হকের পরেই মায়ের হক এবং মায়ের হক পিতার হকের তিনগুণ।” তিনি বাস্তবে তা করলেন। হযরত হালিমা (রা.) কে যেভাবে তিনি সম্মান দিয়েছেন তা ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লিখা থাকবে। তিনি কন্যাসন্তানকে হত্যা করা নিষিদ্ধ করলেন। স্ত্রী ও দাসীদের সুনির্দিষ্ট মর্যাদা ঘোষণা করলেন। বিবাহের মাধ্যমে পবিত্র জীবনযাপনের পদ্ধতি বলে দিলেন। পুরুষ জাতিকে স্ত্রীদের সাথে সম্মানজনক আচরণ করার জন্য এবং তাদের খোরপোষের ব্যবস্থা করার জন্য নির্দেশ দিলেন। তাদেরকে সম্পদের উত্তরাধিকারী বানালেন এবং সম্পদে তাদের প্রাপ্য অংশ ঘোষণা করলেন। এমনিভাবে রাসুল (স.) নারীদেরকে সম্মান ও মর্যদার আসনে অধিষ্ঠিত করলেন। জনাব আনিসও রাসুল (স.) কর্তৃক নারীদের জন্য গৃহিত এসব ব্যবস্থার অনুসরণ করলেন। তিনি নারীকে সম্মান ও শ্রদ্ধার দৃষ্টিতে দেখতে লাগলেন এবং তাদের সাথে সদয় আচরণ করতে লাগলেন।
পরিশেষে আমরা একথা বলতে পারি- জনাব আনিসের কাজটি ছিল রাসুল (স.)-এর চারিত্রিক গুণাবলির অনুসরণ ও তার বাস্তব বহিঃপ্রকাশ।