1 Answers

উদ্দীপকে 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধের 'অন্নবস্ত্রের প্রাচুর্যের চেয়েও মুক্তি বড়' এই দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। 

শিক্ষা হচ্ছে জীবসত্তা থেকে মানবসত্তায় উত্তরণের মাধ্যম। প্রকৃত শিক্ষার মাধ্যমে মানুষ সব রকম অন্ধত্ব, কুসংস্কার থেকে মুক্তি পায় এবং এই মুক্তির স্বাদ উপলব্ধি করতে পারে।

'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধের লেখকের মতে শিক্ষার আসল কাজ মূল্যবোধ সৃষ্টি, মনুষ্যত্ব অর্জন। তাহলে মানুষের আত্মিক মুক্তি ঘটে। প্রকৃত শিক্ষার মাধ্যমে মানুষ অন্নবস্ত্রের চিন্তার নিগড় থেকে মুক্ত হয়ে মুক্তির স্বাদ লাভ করে। অন্যদিকে বাইরের আলো-হাওয়ার স্বাদ পাওয়া মানুষ প্রচুর অন্নবস্ত্র পেলেও কারাগারকে কারাগারই মনে করবে। 'শিক্ষা ও মুনষ্যত্ব' প্রবন্ধে লেখক আরও বলেন অন্নবস্ত্রের লোভে কোনো মুক্ত পাখি যেমন খাঁচায় বন্দি হবে না তেমনই প্রকৃত মুক্তির স্বাদ পাওয়া মানুষ কখনো অন্নবস্ত্রের প্রাচুর্যে নিজেকে বেঁধে রাখবে না। উদ্দীপকেও 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধের লেখকের এই বক্তব্যের প্রতিফলন লক্ষ করা যায়। যেখানে গালিব বন থেকে একটি পাখি ধরে এনে খাঁচায় রেখে দামি খাবার দেয় তা সত্ত্বেও পাখিটি উড়ে চলে যায়। কারণ সেটা তার স্বভাব বিরুদ্ধ। মুক্তিই তার কাছে বড় কথা। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকে 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধের 'অন্নবস্ত্রের প্রাচুর্যের চেয়েও মুক্তি বড়' এই দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে।

6 views

Related Questions