1 Answers

উদ্দীপকের লিটন চরিত্রে 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধে উল্লিখিত শিক্ষার অপ্রয়োজনের দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। 

প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা অর্জনকেই প্রকৃত শিক্ষা বলা যায় না। শিক্ষার মাধ্যমে মনুষ্যত্ব অর্জিত না হলে সেই শিক্ষার কোনো মূল্য থাকে না। তাই প্রতিটি মানুষকে প্রকৃত শিক্ষা অর্জনে গুরুত্ব দিতে হবে।

'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক বলেছেন যে, শিক্ষার আসল কাজ হলো মূল্যবোধ সৃষ্টি। প্রকৃত শিক্ষা মানুষকে মনুষ্যত্বলোকের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়। শিক্ষার প্রয়োজনের দিকের সাথে সাথে অপ্রয়োজনের দিকও রয়েছে। অপ্রয়োজনের দিকই শিক্ষার শ্রেষ্ঠ দিক, যা মানুষের মানবসত্তা বা মনুষ্যত্বলোকের সন্ধান দেয়। উদ্দীপকের লিটনের চরিত্রে মনুষ্যত্বের দিকটি প্রকাশ পেয়েছে। সে তার মনুষ্যত্বের কারণে বন্ধুর দুরবস্থার কথা শুনে তাকে সাহায্য করেছে। বন্ধুর প্রতারণার কথা শুনেও সে এই ভেবে সান্ত্বনা পেয়েছে যে, সে বন্ধুর বিপদে হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। তার এই চিন্তা ও কর্মকাণ্ডে শিক্ষার প্রকৃত দিকটি প্রকাশিত হয়। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকের লিটন চরিত্রে আলোচ্য প্রবন্ধের শিক্ষার অপ্রয়োজনের দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে।

4 views

Related Questions