1 Answers

বাবু যে বিষয়টিতে আগ্রহ দেখিয়েছে সে বিষয়টি হলো হাদিসশাস্ত্র। বাবুর জীবনে তথা মানবজীবনে হাদিসশাস্ত্রের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।

রাসুলুল্লাহ (স.)-এর বাণী ও কাজের অনুসরণ করা আবশ্যক। রাসুলুল্লাহ (স.)-এর আনুগত্য করলে প্রকারান্তরে আল্লাহ তায়ালারই আনুগত্য করা হয়। আল্লাহ তায়ালা এতে সন্তুষ্ট হন। আল্লাহ তায়ালা বলেন, “রাসুল তোমাদের যা দেন তা তোমরা গ্রহণ কর। আর যা নিষেধ করেন তা থেকে বিরত থাক।" (সূরা আল-হাশর: ৭) অন্যত্র আল্লাহ বলেন, "আপনি বলুন! তোমরা আল্লাহ ও রাসুলের আনুগত্য কর। যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয় তবে জেনে রাখুন, আল্লাহ তো কাফিরদের পছন্দ করেন না।" (সূরা আলে-ইমরান: ৩২)

আল-হাদিস পবিত্র কুরআনের ব্যাখ্যাস্বরূপ। আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে শরিয়তের যাবতীয় আদেশ-নিষেধ, বিধিবিধান ও মূলনীতি অত্যন্ত সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণনা করেছেন। রাসুলুল্লাহ (স.) কুরআনের বিধিবিধানসমূহের প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা দিতেন। অনেক ক্ষেত্রে নিজে আমল করার দ্বারা এসব বিধান হাতে-কলমে শিক্ষা দিতেন। রাসুলুল্লাহ (স.)-এর এসব বাণী ও কর্মই হাদিস। সুতরাং কুরআনের বিধিবিধান সুস্পষ্টরূপে অনুসরণের জন্য হাদিস অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

প্রকৃতপক্ষে, হাদিস ইসলামি শরিয়তের অন্যতম উৎস। হাদিস মানুষকে সত্য, ন্যায় ও শান্তির পথে পরিচালনা করে। কুরআনের পাশাপাশি হাদিসের শিক্ষা ও আদর্শ ত্যাগ করলে মানুষ পথভ্রষ্ট হয়ে পড়ে। সুতরাং বাবুর ব্যক্তিগত জীবন তথা মানবজীবনে আল-কুরআনের পাশাপাশি মহানবি (স.)-এর হাদিসের প্রয়োজনীয়তাও অনস্বীকার্য।

6 views

Related Questions