1 Answers

আশফাক সাহেব ইমাম সাহেবের বক্তব্যে সহিহ-শুদ্ধভাবে কুরআন তিলাওয়াতের গুরুত্ব সম্পর্কে জানতে পারেন এবং সহিহ- শুদ্ধভাবে কুরআন তিলাওয়াত শিখতে আগ্রহী হয়ে উঠেন। আশফাক সাহেবের আগ্রহের ইতিবাচক দিকগুলো খুবই গুরুত্ববহ। নিচে এ সম্পর্কে আলোচনা করা হলো-

১. আশফাক সাহেব কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে 'আলোর দিশা' পাবেন। যার দ্বারা তিনি অন্ধকার জীবন থেকে আলোকিত জীবন গড়তে পারবেন। কেননা পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে- ‘আল-কুরআন আলোর পথ দেখায়।’

২. তিনি কুরআন তিলাওয়াত করে কুরআনের বক্তব্যকে যথাযথভাবে হৃদয়ঙ্গম করতে পারবেন এবং তাদ্বারা ব্যক্তি জীবনে এর যথাযথ অনুসরণ করতে পারবেন। যা তাকে নির্ভীক ও শঙ্কাহীন মুমিন হিসেবে গড়ে তুলবে। যেমন আল্লাহ বলেন, “অতঃপর যে ব্যক্তি বা যারা হিদায়েত তথা কুরআনের আনুগত্য করবে, তাদের জন্য কোনো ভয় থাকবে না এবং তাদের জন্য কোনো দুশ্চিন্তাও থাকবে না।”

৩. তিনি এর দ্বারা অন্তরে আল্লাহভীতি অর্জন করতে পারবেন। কেননা আল্লাহ বলেন, "যদি আমি এ কুরআন পাহাড়ের ওপর অবতীর্ণ করতাম, তাহলে তুমি অবশ্যই তাকে দেখতে পেতে যে, সে আল্লাহর ভয়ে ক্ষুদ্রতায় ম্রিয়মাণ হয়ে পড়েছে।”

৪. কুরআন তিলাওয়াত করলে ইমান বৃদ্ধি পায়। তাই তিলাওয়াতের মাধ্যমে তিনি সমৃদ্ধ ইমানদার হতে পারবেন। আল্লাহ বলেন, "যখন তাঁদের নিকট তাঁর (আল্লাহর) আয়াত পাঠ করা হয়, তখন তাদের ইমান বৃদ্ধি পায়।”

৫. কুরআন তিলাওয়াতকারী ও অনুসরণকারীর জন্য কুরআন পরকালে সুপারিশ করবে। রাসুল (স.) বলেছেন, "কিয়ামতের দিন কুরআন স্বীয় তিলাওয়াতকারীর জন্য সুপারিশ করবে।”

পরিশেষে বলা যায়, বিশ্বমানবতার প্রতি মহান আল্লাহর সর্বশ্রেষ্ঠ ও অমূল্য অনুগ্রহ হচ্ছে আল-কুরআন। অতএব আশফাক সাহেব তার আগ্রহের ফলশ্রুতিতে উপরিউক্ত ইতিবাচক দিকগুলো লাভ করবেন বলে আশা করা যায়।

4 views

Related Questions