1 Answers
উদ্দীপকে উল্লিখিত ইমাম সাহেবের বক্তব্য ইসলামি শরিয়তের তৃতীয় উৎস আল-ইজমার প্রতি ইঙ্গিত করেছে।
ইসলামি পরিভাষায়, শরিয়তের কোনো বিষয়ে একই যুগের মুসলিম উম্মতের পুণ্যবান মুজতাহিদগণের (গবেষক) ঐকমত্য পোষণ করাকে ইজমা বলা হয়। ইজমা মহানবি (স.)-এর পরবর্তী যেকোনো যুগে হতে পারে। যার প্রতিফলন দেখা যায় উদ্দীপকে। ইজমা কুরআন-সুন্নাহ সমর্থিত হওয়া আবশ্যক। উদ্দীপকে আশফাক সাহেব আসরের সালাত জামাতে আদায়ের সময় মোবাইল ফোন বন্ধ করতে ভুলে যান। সালাতের মাঝে ফোনটি বেজে উঠলে তা সালাতে বিঘ্ন সৃষ্টি করে এবং মুসল্লিগণ বিরক্ত হন। কিন্তু আশফাক সাহেব মনে করেন, সালাতের মাঝে ফোন বন্ধ করলে সালাত ভঙ্গ হয়ে যেতে পারে। তাই তিনি ওই অবস্থায় ফোনটি বন্ধ করেননি। এটা ছিল আশফাক সাহেবের ভুল ধারণা। কারণ ইজমার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান করা হয়েছে। বিজ্ঞ মুজতাহিদগণ উক্ত অবস্থায় মোবাইল ফোন বন্ধ করার অনুমতি দিয়েছেন। এজন্য ইমাম সাহেব মুসল্লিদের উদ্দেশে বলেছেন, নামাযরত অবস্থায় ফোন বেজে উঠলে এক হাতে ফোনটি বন্ধ করে দেবেন।
সবশেষে বলা যায়, ইজমা শরিয়তের অন্যতম দলিল। এর বৈধতা কুরআন ও হাদিস দ্বারা প্রমাণিত। এর বিধানের ওপর আমাদের আমল করা আবশ্যক।