1 Answers

উদ্দীপকটি 'উপেক্ষিত শক্তির উদ্বোধন' প্রবন্ধের মূলভাব আংশিক ধারণ করে।

সমাজের ধনী বা তথাকথিত ভদ্র সম্প্রদায়ের কাছে গরিব নিম্নশ্রেণির মানুষের কোনো মূল্য ও মর্যাদা নেই। বিত্তশালীরা গরিবদের চিরকালই অবহেলা, নিপীড়ন, নির্যাতন করে। জাতীয় উন্নয়নের ক্ষেত্রে নিম্নশ্রেণির অবদান সর্বোচ্চ হলেও তথাকথিত ভদ্র সম্প্রদায় গরিবদের শক্তিকে উপেক্ষা করে।

উদ্দীপকে সাম্যবাদের দিকটি তুলে ধরা হয়েছে; যেখানে মনিব তার ভৃত্যকে উটের পিঠে চড়িয়ে, উটের রশি ধরে এগিয়ে যাচ্ছে। এখানে ধনী-দরিদ্রের বিভেদ ঘুচে গেছে, মানবতা জাগ্রত হয়েছে। সাম্যবাদের দৃষ্টিতে পৃথিবীর সব মানুষ যে সমান মূল্য ও মর্যাদা পাওয়ার যোগ্যতা রাখে তা উপস্থাপিত হয়েছে। উদ্দীপকের এই সাম্যবাদী মনোভাবের দিকটি 'উপেক্ষিত শক্তির উদ্বোধন' প্রবন্ধে প্রতিফলিত সাম্যবাদী দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। এ বিষয়টি ছাড়াও প্রবন্ধে আরও কিছু বিষয় আছে যা উদ্দীপকে প্রকাশ পায়নি।

'উপেক্ষিত শক্তির উদবোধন' প্রবন্ধে দশ আনা শক্তির জাগরণের জন্য মহাত্মা গান্ধীর মতো মানবতাবোধসম্পন্ন ব্যক্তির কৃতিত্ব তুলে ধরা হয়েছে, যা উদ্দীপকে নেই। 'উপেক্ষিত' শক্তিকে অবহেলা না করার জন্য লেখকের যে আহ্বান এ প্রবন্ধে ধ্বনিত হয়েছে তাও উদ্দীপকে অনুপস্থিত। প্রবন্ধে যোগ্য নেতৃত্বের মাধ্যমে কীভাবে তথাকথিত ভদ্র সম্প্রদায়ের দেওয়া নাম 'ছোটলোক'দের জাগিয়ে তুলে দেশের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করা যায় তা আলোচিত হয়েছে। উদ্দীপকে এ সংক্রান্ত কোনো বিষয়ের ইঙ্গিত নেই। উদ্দীপকে কেবল সাম্যবাদের দৃষ্টান্ত এবং ইসলাম ধর্মের সাম্যবাদের দিকটি তুলে ধরা হয়েছে। এসব দিক বিচারে তাই বলা যায়, উদ্দীপকটি 'উপেক্ষিত শক্তির উদবোধন' প্রবন্ধের মূলভাব আংশিক ধারণ করে।

4 views

Related Questions