1 Answers

"উদ্দীপকটি 'উপেক্ষিত শক্তির উদ্বোধন' প্রবন্ধের ভাবার্থের দর্পণ"- মন্তব্যটি যথার্থ।

সমাজের মানুষেরাই ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য সৃষ্টি করেছে। শ্রমজীবী মানুষের অবদানের কথা বারবার উঁচু শ্রেণির মানুষ ভুলে গিয়ে তাদের ওপর অত্যাচার করেছে। সমাজে অবহেলা ও নির্যাতনের শিকার এসব মানুষের সঠিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

উদ্দীপকের কবিতাংশে সমাজের উপেক্ষিত শক্তির জেগে ওঠার প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। যুগ যুগ ধরে যারা নিজেদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে, লেখক তাদের জেগে ওঠার কথা বলেছেন। সমাজের এই শ্রমজীবী মানুষেরাই আজ উপেক্ষিত, পায় না নিজেদের অধিকারটুকুও। 'উপেক্ষিত শক্তির উদ্বোধন' প্রবন্ধেও লেখক সাম্যবাদী মানসিকতার প্রতিফলন ঘটিয়েছেন। আর এই সাম্যবাদী চিন্তা-চেতনার প্রতিষ্ঠায় অবশ্যই আমাদের ছোট-বড়, উঁচু-নিচু, ধর্মীয় ও জাতিগত বিভেদ দূর করতে হবে। শ্রমজীবী সেসব মানুষকে জেগে উঠতে হবে যারা আজ নিজেদের অধিকার থেকে বঞ্চিত ও উপেক্ষিত।

'উপেক্ষিত শক্তির উদ্বোধন' প্রবন্ধে লেখকের সাম্যবাদী দৃষ্টিভঙ্গির প্রকাশ ঘটেছে। লেখক সমাজের এই অধঃপতন থেকে মুক্তির জন্য উপেক্ষিত মানুষদের জেগে উঠতে বলেছেন। নিজেদের অধিকার আদায়ের জন্য আহবান জানিয়েছেন। উদ্দীপকের ভাবার্থেও এই বিষয়টি প্রতিফলিত হয়েছে। এই দৃষ্টিকোণ থেকে উদ্দীপকটিকে প্রবন্ধের ভাবার্থের দর্পণ বলা যায়। এই বিবেচনায় প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

5 views

Related Questions