1 Answers
উদ্দীপকের অর্ণবের সহপাঠীরা যে সাহিত্যের অনুরাগী তা 'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধে আলোচিত শহুরে সাহিত্যের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
পল্লিসাহিত্য এ দেশের ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক। একসময় এ দেশের পল্লিসাহিত্য যথেস্ট সমৃদ্ধ ছিল। বর্তমানে শহুরে সাহিত্যের প্রভাবে তা নষ্ট হয়ে ধ্বংসের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছে।
উদ্দীপকের অর্ণবের সহপাঠীরা যা পছন্দ করে তা হলো হিন্দি, রক ও ব্যান্ডের গান। তাদের শোনা এ গানগুলো নাগরিক সাহিত্য বা শহুরে সাহিত্যের অংশ। 'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধে লেখক এগুলোকে শহুরে সাহিত্য বা শহরে গান বলেছেন। লেখকের মতে যে সাহিত্যে বাবু-বিবির কথা, রাজ-রাজড়ার কথা, বিজলি বাতির কথা রয়েছে তা নাগরিক বা শহুরে সাহিত্য। তাতে সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের কথা থাকে না। আলোচ্য উদ্দীপকের অর্ণবের সহপাঠীরা মোবাইল ফোনে যে গান শোনে বা যে সাহিত্যের অনুরাগী সেখানেও সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের কথা নেই। কারণ তা শহুরে সাহিত্য বা শহুরে গান।