1 Answers
উদ্দীপকটি 'অভাগীর স্বর্গ' গল্পের ঠাকুরদাস মুখুজ্যের স্ত্রীর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার ঘটনাকে নির্দেশ করে।
জীবনের প্রয়োজনে মানুষকে অনেক কাজ করতে হয়। কিন্তু কিছু কিছু কাজ শুধু আড়ম্বরতা বা বিলাসিতা প্রকাশ করে মাত্র- মৌলিক চাহিদা মেটায় না। এসব কাজ শুধু লোক দেখানো ভড়ং। সামাজিক রীতিনীতির অজুহাতে সমাজে নিজেদের শক্ত অবস্থান প্রকাশ করতে কিংবা উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে তারা সম্পদের অপচয় করে।
উদ্দীপকে দেখা যায় বাড়ির বড় বউ মরার পর খুব ধুমধাম করে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হলো। প্রতিমা বিসর্জনের সমারোহে শবযাত্রা হলো, চন্দনকাঠের এমন চিতা সাজানো হলো যে এই মুলুকে কেউ এমন দেখেনি। শ্রাদ্ধের অনুষ্ঠানও তেমনই ধুমধামে সম্পন্ন হলো। অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার এমন আড়ম্বর 'অভাগীর স্বর্গ' গল্পে ঠাকুরদাস মুখুয্যের স্ত্রীর ক্ষেত্রেও দেখা যায়। সমস্ত গ্রামের লোক ভিড় করে শবযাত্রা দেখতে যায়। পায়ে আলতা, কপালে চন্দন এবং বহুমূল্য বস্ত্রে দেহ আচ্ছাদিত করে তাকে শেষ বিদায় জানানো হলো। গল্পের এই ঘটনাটিকেই উদ্দীপকটি নির্দেশ করেছে।