1 Answers
কলেজ পড়ুয়া ছাত্র আব্দুল আলীম রীতিমতো সালাত আদায় করলেও সাওম পালন করে না। কারণ সে সাওম পালন করাকে কষ্টকর মনে করে। অথচ সালাতের ন্যায় সাওম পালনও ফরজ। তার উচিত সালাতের ন্যায় রীতিমতো সাওম পালন করা। যা তাকে আল্লাহর নৈকট্য লাভে সহায়তা করবে।
সাওম একটি মৌলিক ফরজ ইবাদত। প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিম নরনারীর ওপর সাওম ফরজ। এ সম্পর্কে পবিত্র কুরআনে ঘোষণা করা হয়েছে- "তোমাদের ওপর সাওম ফরজ করা হলো, যেমন ফরজ করা হয়েছিল পূর্ববর্তী উম্মতগণের ওপর, যেন তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পার।" (সূরা আল-বাকারা : ১৮৩)
হাদিসে কুদসিতে বর্ণিত আছে, আল্লাহ পাক বলেছেন, “সাওম আমার জন্য আর আমি নিজেই এর প্রতিদান দেব।” (বুখারি)
সাওমের গুরুত্ব অপরিসীম। সাওমের সওয়াব অনেক বেশি। যে ব্যক্তি রোযা রাখে সে অশেষ পুণ্যের অধিকারী হয়। মহানবি (স.) বলেন, “সকল সৎ কাজের পুণ্য দশ গুণ হতে সাতশত গুণ পর্যন্ত হবে। কিন্তু সাওম একমাত্র আল্লাহরই জন্য বিধায় তার পুণ্য আল্লাহ নিজেই দিবেন।"
পরিশেষে আমরা বলতে পারি, সাওম পালনের মধ্য দিয়ে আব্দুল আলীম শুধু একটি মৌলিক ফরজ ইবাদতই সম্পন্ন করবে না; বরং সার্বিক বিচারে আব্দুল আলীম আল্লাহর নৈকট্যলাভে সক্ষম হবে।