1 Answers
আব্দুল আলীম নিয়মিত সালাত আদায় করলেও সাওম পালনে সে উদাসীন। অতএব আব্দুল আলীমকে সাওম পালনে উদ্বুদ্ধ করার জন্য তার নিকট এর ধর্মীয় ও সামাজিক গুরুত্ব তুলে ধরা উচিত। অর্থাৎ আব্দুল আলীমকে বোঝাতে হবে যে-
১. সাওমের গুরুত্ব ও ফযিলত অপরিসীম। সওমের সওয়াব অত্যন্ত বেশি। যে ব্যক্তি রোযা রাখে সে অশেষ পুণ্যের অধিকারী হয়। মহানবি (স.) বলেন, "সকল সৎ কাজের পুণ্য দশ গুণ হতে সাতশত গুণ পর্যন্ত হবে। কিন্তু সাওম একমাত্র আল্লাহরই জন্য বিধায় তার পুণ্য আল্লাহ নিজেই দেবেন।”
২. রোযাদার ব্যক্তি নিজে সকল প্রকার কুরিপুকে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়। নবীজী বলেছেন, "সাওম ইমানদারের জন্য ঢালস্বরূপ।”
৩. সাওম একটি মৌলিক ফরজ কাজ। যদি কেউ তা অস্বীকার করে তাহলে সে কাফির হয়ে যায়।
৪. মানুষের মধ্যে হিংসা-বিদ্বেষ, পরনিন্দার মতো ঘৃণ্য কতকগুলো বদঅভ্যাস রয়েছে। কিন্তু সাওম পালনকারী ব্যক্তি এসব বদঅভ্যাস পরিহার করতে সচেষ্ট হয়। ফলে সমাজে শান্তিশৃঙ্খলা ফিরে আসে।
সুতরাং, আশা করা যায়, আব্দুল আলীম উল্লিখিত ধর্মীয় ও সামাজিক গুরুত্ব বিবেচনা করে তথা আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায় এবং সামাজিক গুরুত্ব বিবেচনা করে সাওম পালন করবে।