1 Answers
জামাল সাহেব রমজান মাসের সৌজন্যে নায্যমূল্যে ভেজালমুক্ত ইফতারি বিক্রির ব্যবস্থা করেন। তার এ সততার জন্য তিনি কিয়ামত দিবসে শহিদদের সঙ্গী হবেন। এ সংক্রান্ত হাদিসটি হলো-
"বিশ্বস্ত, সত্যবাদী মুসলিম ব্যবসায়ী কিয়ামতের দিন শহিদদের সঙ্গে থাকবেন।” (ইবনে মাজাহ)
ইসলামি সমাজব্যবস্থা উৎপাদনমুখী অর্থনীতিকে প্রাধান্য দেয়। ইসলামি অর্থব্যবস্থায় শ্রম ও মেধার প্রয়োগের সুযোগ বেশি। ব্যবসায় বাণিজ্য ইসলামি সমাজস্বীকৃত একটি আর্থিক মাধ্যম। এ মাধ্যমে সততা ও বিশ্বস্ততার গুরুত্ব সর্বাধিক। এক্ষেত্রে ইসলাম আপসহীন। ব্যবসায় মানুষের জীবিকা নির্বাহের অন্যতম একটি মাধ্যম। আল্লাহ ঘোষণা দিয়েছেন- "আল্লাহ ব্যবসায়কে হালাল এবং সুদকে হারাম করেছেন।"
ব্যবসায় বাণিজ্যের মাধ্যমে মানুষ পার্থিব উন্নতি সাধন করে থাকে। এ জাগতিক উন্নতির মোহে মানুষ অনেক সময় অসৎ পথ বেছে নেয়। অর্থের লোভে ধোঁকা বা প্রতারণার আশ্রয় নেয়। আবার 'পাশাপাশি কিছু মানুষ সমাজের এ জাগতিক মোহের গড্ডলিকা প্রবাহে নিজেকে ভাসিয়ে না দিয়ে বিশ্বস্ততা ও সত্যবাদিতার পথ আঁকড়ে থাকে। ধৈর্যের পরম পরাকাষ্ঠা প্রদর্শন করে সৎ ও ন্যায়ভাবে ব্যবসায় বাণিজ্য পরিচালনা করে থাকেন। পণ্যদ্রব্যে কোনোরকম ভেজাল না দিয়ে যেভাবে আছে সেভাবেই বিক্রি করে। মাল বিক্রি করার সময় সে মালের অযথা তারিফ করে ক্রেতাকে বিভ্রান্ত করে না। তার নিজের নিকট অন্যের ধার থাকলে পাওনাদারকে অযথা হয়রানি করে না। অপরপক্ষে কারও কাছে কিছু পাওনা থাকলে তাকে উত্ত্যক্ত করে না। অত্র হাদিসে এসব বিশ্বস্ত ও সত্যবাদী ব্যবসায়ীদের পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। জামাল সাহেব সত্তার সাথে ব্যবসায় করার কারণে উক্ত পুরস্কার পাবেন ইনশাল্লাহ।