1 Answers

সাদিকুল ইসলামের কাজটি হলো যাকাত আদায়। কারণ তিনি বছর শেষে সম্পদের একটি নির্দিষ্ট অংশ থেকে গরিব জহিরকে অটোরিকশা কিনে দেন।

যাকাত হলো 'নিসাব' পরিমাণ সম্পদের অধিকারী প্রাপ্তবয়স্ক মুসলমান বছর শেষে তার সম্পদ হিসাব করে আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত ৮টি খাতের মধ্যে সমুদয় সম্পত্তির ৪০ ভাগের ১ ভাগ ব্যয় করা। যাকাত ব্যয়ের অন্যতম খাত হলো গরিব শ্রেণি। সাদিকুল বছর শেষে সম্পদের একটি অংশ গরিবকে প্রদান করেছেন। এ থেকে যাকাতের ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

সুমনের বক্তব্যটি যথার্থ। সুমন মনে করে, সাদিকুল ইসলামের কাজটি সম্পদশালীদের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। এদেশের সম্পদশালীরা যদি হিসাব করে সঠিকভাবে যাকাত দিত তাহলে বহু আগেই এদেশ হতে দারিদ্র্য দূর হতো। রাসুল (স.) যাকাত ব্যবস্থা চালু করলে ইসলামি রাষ্ট্রে দরিদ্রতা দূর হয়। হযরত উমর ইবনে আবদুল আজিজ (র.)-এর আমলে যাকাত নেওয়ার মতো লোক খুঁজে পাওয়া যেত না। আমাদের দেশে অনেক ধনী লোক রয়েছেন। অথচ তারা যাকাত দেন না। আবার অনেকে লোক দেখানোর জন্য নামেমাত্র যাকাত দেন। আবার অনেকে যাকাতের জন্য লুঙ্গি বা শাড়ি প্রদান করে, যা ব্যক্তির দারিদ্র্য লাঘবে কোনো কাজে আসে না। দরিদ্রকে এমনভাবে যাকাত দেওয়া উচিত যাতে তার দরিদ্রতা দূর হয়। সেজন্য তার আত্মকর্মসংস্থান করা দরকার। যেমনটি সাদিকুল ইসলাম গরিব জহিরের জন্য করেছেন। তিনি তাকে অটোরিকশা কিনে দিয়েছেন। তাই ধনীদের উচিত নিয়মিত যাকাত দেওয়া এবং শাড়ি-লুঙ্গি না দিয়ে দারিদ্র্য দূর হয় এমন কোনো ব্যবস্থা করে দেওয়া।

5 views

Related Questions