কুমিল্লা সমিতির সদস্যরা কীভাবে এলাকাবাসীকে ভেজাল সম্পর্কে অবগত করলেন? ব্যাখ্যা করো। (প্রয়োগ)
1 Answers
কুমিল্লা সমিতির সদস্যরা লিফলেট ও পত্রিকার মাধ্যমে এলাকাবাসীকে অবগত করলেন।
বাজারে যেসব দ্রব্যসামগ্রী পাওয়া যায় তার ৭০-৯০% ভেজাল খাদ্যে নকল, ভেজাল ও রাসায়নিক দ্রব্য মেশানো একটি সামাজিক ব্যাধি। তাই অন্যান্য ব্যাধির মতো ভেজাল ও রাসায়নিক দ্রব্যের প্রতি রোধেও ব্যাপক সামাজিক সচেতনতা ও কার্যকর প্রতিরোধ করতে হবে।
কুমিল্লা সমিতির সদস্যরা খাদ্যে ভেজাল সম্পর্কে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে জনসচেতনতামূলক কাজে লিপ্ত হন। তারা ভেজাল ও রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহারের কুফল সম্পর্কে পত্রপত্রিকায় ও লিফলেটের মাধ্যমে প্রচারণা চালান। ফলে স্থানীয় লোকজন ভেজাল খাদ্য দ্রব্য সম্পর্কে অবগত হয়ে সাবধান হওয়ার সুযোগ পাবে। স্থানীয় পত্রিকায় তারা যে ভেজাল বিরোধী ছোট ছোট প্রতিবেদন ছাপান তা পড়েও এলাকাবাসী কোন খাদ্যে কীভাবে ভেজাল মেশানো হয় সে সম্পর্কে জানতে পারেন। লিফলেটে তারা যে ক্ষতিকারক দিকগুলোর কথা প্রকাশ করেন তা খুব সহজেই ভেজাল খাদ্যের কুফল সম্পর্কে সাধারণ জনগণকে অবগত করতে সক্ষম হবে। এভাবেই সমিতির সদস্যরা এলাকার জনগণকে ভেজাল সম্পর্কে অবগত করেন।