1 Answers
জলিল সাহেবের ব্যবসায়ী বন্ধু তাকে সঠিক পদ্ধতি অবলম্বন করে খাদ্যদ্রব্য সংরক্ষণের পরামর্শ দিলেন।
সঠিক পদ্ধতি অবলম্বন না করে খাদ্যদ্রব্য সংরক্ষণ করলে তার গুণগত মান নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাছা। ভিন্ন ভিন্ন খাদ্যদ্রব্য সংরক্ষণের ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতিও রয়েছে। যেমন-
দুধ পাস্তুরাইজেশন পদ্ধতিতে, তেঁতুল, খেজুর, কিশমিশ, আচার, কুল, শুটকি মাছ, মাংস, ডিম, ফলের রস ইত্যাদি শুষ্করণ পদ্ধতিতে, মাছ, মাংস, আলু, পেঁয়াজ হিমায়িতকরণ পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করা ভালো। এছাড়া অনেক খাদ্যদ্রব্য রাসায়নিক পদ্ধতিতেও সংরক্ষণ করা হয়। যেমন- সবজি, পিকেলস ভিনেগারে, জ্যাম, জেলি চিনির দ্রবণে, মাছ লবণে, আচার তেলে সংরক্ষণ করা যায়। কিন্তু পদ্ধতিতে যদি ভুল হয় এবং সঠিক নিয়ম না মেনে খাদ্যদ্রব্য সংরক্ষণ করা হয় তবে তা পচে বা নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশংকা থাকে। জলিল সাহেব যেহেতু সঠিক তাপমাত্রা না মেনে আমগুলো হিমঘরে রেখে দিয়েছেন তাই তা নষ্ট হয়ে গেছে।
উপরিউক্ত এ কারণেই জলিল সাহেবের ব্যবসায়ী বন্ধু তাকে সঠিক পদ্ধতি অবলম্বন করে খাদ্যদ্রব্য সংরক্ষণের পরামর্শ দেন। সুতরাং, জলিল সাহেবের বন্ধুর পরামর্শটি যথার্থ।