1 Answers
খাদ্যে বিষক্রিয়ার ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জেনে পলি হতবাক হন।
খাদ্যের বিষক্রিয়ার ফলে পৃথিবীতে বিপুল সংখ্যক মানুষ প্রতিনিয়ত আক্রান্ত হচ্ছে। নানা ধরনের বিষাক্ত দ্রব্য খাদ্যের সাথে মিশে খাদ্যে বিষক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। গর্ভবর্তী মা ও ছোট শিশুরা এ বিষক্রিয়ায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ক্রমাগত গ্রহণের ফলে জন্মগত ত্রুটি এবং ক্যান্সার হতে পারে।
খাদ্যের বিষক্রিয়া বিভিন্ন উপায়ে বিভিন্নভাবে হতে পারে। যেমন খাদ্যের মধ্যে অবস্থিত বিষাক্ত উপাদানের জন্য অনেক সময় বিষক্রিয়া হতে পারে। ধুতুরা, একোনাইট ফল, খেসারীর ডাল, আলুর গায়ে কোনো ক্ষত বা সবুজ বর্ণ হলে, বিষাক্ত মাশরুম খেলে বিষক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। গভীর পানিতে আর্সেনিক পাওয়া যায় যা পানি দূষিত করে। সীসার পাইপ হতে পানিতে সীসা আসতে পারে যা অনেক দিন ধরে পান করলে বিষক্রিয়া দেখা দেয়। টিনের পাত্রে টক ফল রাখলে টিন দ্রবীভূত হয়ে এক প্রকার বিষাক্ত উপাদান তৈরি করে। পোকামাকড় ও ছত্রাক দ্রমনে কীটনাশক ও রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করা হলে এবং খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণের সময় রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করা হলে বিষক্রিয়া ঘটতে পারে। কিছু কিছু জীবাণু আছে যেগুলো অনুকূল তাপে ও আর্দ্রতায় খাদ্যে বংশ বৃদ্ধি করে বিষ উৎপন্ন করে। এসব খাদ্য গ্রহণে দেহে বিষক্রিয়ার লক্ষণাদি দেখা দেয়। স্টেফাইলোকক্কাস ও সালমোনেলা জীবানুদ্বয় ব্যাপক আকারে বিষক্রিয়া বিস্তার করে। বুটলিজম মারাত্মক খাদ্য জনিত বিষক্রিয়া। এ জাতীয় জীবাণু টিনাজত খাদ্য জন্মায়। নোংরা স্থানে খাদ্যে প্রক্রিয়াজাত করা হলে এ জীবাণু খাদ্যে প্রবেশ করে। এর ফলে শ্বাসকার্যসহ পক্ষাঘাত হয়ে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।