1 Answers

উদ্দীপকের কর্মীদের ওপর প্রভাব বিস্তারের অক্ষমতাটি (স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্ব) শাফীর ব্যর্থতার কারণ বলে আমি মনে করি।

স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্বে নেতা কোনো ধরনের আলোচনা না করে কর্মীদের ওপর সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেন। এক্ষেত্রে নেতা কর্মীদের ওপর আস্থা রাখেন না। নেতার এই ধরনের মনোভাবের কারণে কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষের সৃষ্টি হয়। আর কর্মীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে কাজ না করলে প্রতিষ্ঠানও সফল হতে পারে না।

উদ্দীপকের শাফী কর্মীদের সাথে আলোচনা না করে সিদ্ধান্ত নেন। তার সিদ্ধান্ত কর্মীরা কীভাবে নেবে সে বিষয়ে তিনি সচেতন নন। তিনি জোর করে কর্মীদের কাছ থেকে কাজ আদায় করতে চান। এতে কর্মীদের মধ্যে শাফীর প্রতি নেতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়।

শাফীর এ ধরনের নেতৃত্বের কারণে কর্মীরা ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে কাজ করে। ফলে কাজের প্রতি তাদের মনোবল হারিয়ে যায়। এছাড়া নিজেদের দক্ষতা দেখানোর সুযোগ না পাওয়ায় কর্মীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে কাজও করে না। কর্মীদের এই অসন্তুষ্টি প্রতিষ্ঠানের ওপর দীর্ঘমেয়াদে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। সুতরাং, স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্বের কারণে শাফী কর্মীদের ওপর ইতিবাচক প্রভাব বিস্তার করতে পারেননি। এর ফলে তিনি ব্যবসায়েও সফলতা অর্জন করতে পারেননি।

4 views

Related Questions